স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: গত দুদিনের অবিরাম বর্ষণে উত্তর ২৪ পরগণার গারুলিয়ার বিচালি ঘাটে গঙ্গার পাড় ভাঙতে শুরু করেছে। শুক্রবার বিচালিঘাট সংলগ্ন কংক্রিটের বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ হঠাৎই ধসে পড়ে।

বর্ষায় গঙ্গায় ভরা কোটালের জল বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত জলের স্রোতে কংক্রিটের বাঁধের ওই অংশে ধস নামে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ধসে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গারুলিয়া পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গঙ্গাতীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা৷ তাঁরা দ্বারস্থ হন স্থানীয় নোয়াপাড়া কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক তথা গারুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল সিংয়ের। সুনীল বাবু গঙ্গা পাড়ে ভাঙ্গনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান৷ ভাঙন কবলিত ওই বাঁধ ডিঙি নৌকায় চড়ে গারুলিয়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল থেকে সঙ্গে সঙ্গে সুনীল সিং ফোনে যোগাযোগ করেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রের সঙ্গেও। সেচ দফতর দ্রুত ইঞ্জিনিয়র পাঠিয়ে ওই বাঁধ মেরামতির আশ্বাস দিয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে দ্রুত ওই বাঁধ সারাই নিয়ে দলীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠকও করেন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি বলেন, ‘‘গঙ্গায় জল বেড়ে যাওয়ায় এই বিপত্তি তৈরি হয়েছে। আমি সেচমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। বিধানসভায় জানিয়েছি। সেচদফতর শীঘ্রই ইঞ্জিনিয়র পাঠিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষন করবে৷ পাশাপাশি বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু করবে। গারুলিয়া পুরসভা প্রাথমিকভাবে ওই বাঁধ সারাইয়ের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু করবে। শনিবার থেকেই বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু হবে।’’

স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কের আশ্বাসে ভাঙন কবলিত এলাকায় কতদিনে বাঁধ মেরামতির কাজ শুরু হয় সেদিকেই তাকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাথমিক পর্যায়ে শালবল্লা ও বালি দিয়ে ওই বাঁধের ধস মেরামতি করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রের জানা গিয়েছে৷ উত্তর ২৪ পরগনার গারুলিয়ার গঙ্গাতীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে৷ পাশপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের গঙ্গায় মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।