প্রাচীন হিন্দু শাস্ত্র শ্রী রাম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ আসনে আসীন। বিষ্ণুর সপ্তম অবতার রামের জন্মতিথি হিন্দু সমাজে ঘরে ঘরে পালিত হয় রামনবমী নামক বিশেষ উৎসবের মধ্যে দিয়ে। চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষের নবমী তিথিতে শ্রী রামের পুজো করার রীতি রয়েছে।

বলা হয় প্রতিটি যুগেই মানুষের সাথে হওয়া অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে নানা রূপে আসেন বিষ্ণু। তাই তার অন্যতম রূপ রামের পুজোর বিধি ঠিকমত পালন করলেই সন্তুষ্ট হবেন তিনি। হিন্দু বাড়ি বা মন্দিরে নানা উৎসব অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই পূজিত হন শ্রী রাম।

 এই বছর মহামারীর কারণে কোনো জমায়েত করে পুজো করার উপর রয়েছে বিধিনিষেধ কিছু কিছু জায়গায়। তাই বাড়িতেই করতে পারেন পুজো। তার আগে জেনে নেবেন রামনবমীর বিধি ও উপোসের নিয়ম যা আপনার প্রার্থনাকে সম্পূর্ণ করবে।

১. সকালে শুদ্ধভাবে ও শুদ্ধ মনে সূর্যদেবকে প্রণাম করে তার আশীর্বাদ নিয়ে দিনের শুরু করবেন।

২. ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে শুদ্ধ হয়ে বাড়ি ও পুজোর কক্ষকে পরিষ্কার করুন।

৩. দেবতার উদ্দেশ্যে ভোগ প্রস্তুত করুন।

আরো পড়ুন- রামনবমী ২০২১: কী মাহাত্ম্য রয়েছে দিনটির

৪. পুজোর কক্ষে রামের মূর্তি বা ছবি প্রতিষ্ঠা করুন।

৫. আরতির থালায় রাখুন চন্দন, ধূপকাঠি রাখুন।

৬. বাড়ির সকলকে নিয়ে মাটিতে বসে রামায়ণ পাঠ করুন। চাইলে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থও পাঠ করতে পারেন।

৭. সঠিক মুহূর্ত দেখে আরতি করুন। নবমীর পুজোর মুহূর্ত শুরু হচ্ছে ১১.০২ মিনিটে। সেই মুহূর্ত সেদিন ১.৩৮ মিনিটে শেষ হবে।

৮. সারাদিন ধরে উচ্চারণ করুন বৈদিক মন্ত্র।

৯. ভক্তিমূলক গান, ভজন বা কীর্তনের আয়োজন করতে পারেন।

১০. যারা ব্রত রাখবেন তারা পারলে উপোস করবেন। লোকের বিশ্বাস বলে যে উপোস করলে আপনার করা সমস্ত পাপ থেকে মুক্তিলাভ সম্ভব। যারা উপোস করবেন তারা মধ্যরাত থেকে দুপুর ১২টা বা মধ্যরাত থেকে রাত ১২টা উপোস করতে পারেন। অথবা তারা দিনে একবার নিরামিষ খাবার খেতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.