মুম্বই : হিন্দি এবং মারাঠি চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নাম রীতেশ দেশমুখ ( Ritesh Deshmukh ) । দুহাজার তিন সালে ‘তুঝে মেরি কসম’ (Tujhe Meri Kasam) সিনেমা দিয়ে বলিউডে পদার্পণ করেছিলেন রীতেশ দেশমুখ। অভিনয় জগতে প্রতিষ্ঠিত হলেও রীতেশের জন্ম কিন্তু আদ্যপ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে রাজনীতির মহল দেখে বড় হয়েছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখ(Vilasrao Desmukh) এর পুত্র রীতেশ।

‘তুঝে মেরি কসম’ এরপর তিনি নজর কাড়েন ‘মস্তি’ (Masti) সিনেমাতে। দীর্ঘ এত বছরের বলিউড যাত্রাতেও তেমন কোনো বিতর্কে নাম জড়ায়নি এই অভিনেতার। দীর্ঘ দশ বছরের জেনেলিয়া ডিসুজার (Genelia D’souza) সঙ্গে প্রেম পরিণতি পায় বিয়েতে। এই প্রেমে কোনদিনই কোন তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ ঘটেনি। প্রথম ছবির নায়িকার সঙ্গেই সাফল্যমন্ডিত একটি সম্পর্ক নিঃসন্দেহে সবার মন জয় করে। কিন্তু এ খবর অনেকেরই অজানা জেনেলিয়া এবং রীতেশের সম্পর্কের শুরু হয়েছিল ভুল বোঝা দিয়ে । পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি নয়।

আসলে ‘তুঝে মেরি কসম’ সিনেমার জন্য যখন অভিনেতা এয়ারপোর্টে পৌঁছয় তার আগে প্রোডাকশন হাউজ থেকে তাকে ফোন করে বলা হয়েছিল ফ্লাইটে নায়িকাও থাকবে। অপেক্ষারত রীতেশ দেখে একজন সুন্দরী মহিলা ফ্লাইটে প্রবেশ করছে। রীতেশের মনে হয় তিনি এই ছবির নায়িকা। পরে ফ্লাইট থেকে নেমে হায়দরাবাদে পৌঁছে রামোজি ফিল্ম সিটিতে প্রবেশ করতেই প্রোডাকশন হাউজ থেকে তাকে পরিচয় করানো হয় এই সিনেমার নায়িকার সঙ্গে। রীতেশ অবাক হয়ে যায় জেনেলিয়াকে দেখে। কারণ তখনই অভিনেতা নিজের ভুল বুঝতে পারেন। এতক্ষণ ফ্লাইটে তিনি যাকে নায়িকা ভেবেছিলেন আদতে তিনি নন বরং জেনেলিয়া অর্থাৎ যাকে তিনি প্রথমবার দেখছেন তিনিই ছবির নায়িকা। অন্যদিকে জেনেলিয়া যেহেতু জানতেন রীতেশ তৎকালীন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে। তাই তার ধারণা ছিল রীতেশের মারাত্মক দম্ভ থাকবে। এই ভাবনা থেকে জেনেলিয়া নিজেই অ্যাটিটিউড দেখাতে শুরু করেছিলেন। আর তারপরের গল্প তো সবারই জানা। ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব এবং বন্ধুত্ব থেকেই তৈরি হয় প্রেম। বর্তমানে রীতেশ এবং জেনেলিয়ার দুই সন্তান। রিয়ান এবং রাহিল। দুই সন্তানকে নিয়ে এই পরিস্থিতিতে আপাতত বাড়িতেই সময় কাটাচ্ছেন এই তারকা দম্পতি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.