কলকাতা: ‘মা’ এই একটা শব্দ আদি এবং অকৃত্তিম। এই মানুষটির ছত্রছায়ায় জীবনের যত বড় বিপদ আসুক না কেন তা তুচ্ছ হয়ে যায়। হয়তো তা বিরাট বড় কোনো সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে কিন্তু তাঁর শুধুমাত্র মমতা এবং ‘আমি আছি তো’,’কিচ্ছু হবে না দেখ’এই শব্দগুলোতে ম্লান হয়ে যায় জীবনের সমস্ত খারাপ লাগা, ব্যর্থতা, গ্লানি। মায়ের কোল বা মায়ের আঁচল যে কোন সন্তানের কাছে জীবনের সবথেকে বড় প্রাপ্তি। তবে এই স্নেহের বাঁধনে জড়িয়ে পড়তে শারীরিকভাবেই কাউকে মা হতে হবে এমনটা নয়। কারণ মাতৃত্ব থাকে অন্তরে।

যেমন ধরুন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। তার কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস এর সংজ্ঞা অনেকটাই আলাদা হয়ে উঠল । গতকাল যখন বিশ্বজুড়ে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃ দিবস। ফেসবুক টুইটার,ইনস্টাগ্রাম ভরে উঠেছে নিজেদের মায়ের ছবিতে। তখন এই দিনকে একদম অন্য ভাবে উপভোগ করলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী । তখন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী ৭৪ জন বিশেষভাবে সক্ষম শিশুর সঙ্গে কাটিয়েছেন তাঁর সময়। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করেই মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন নায়িকা। তাঁদের জড়িয়ে ধরে তাদের হাসিমুখেই অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী নিলেন মাতৃত্বের বন্ধনের স্বাদ। সঙ্গে নিজের মায়ের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবিও কোলাজ করে ভিডিও করে পোস্ট করেছেন তিনি। তবে ঝলমলে, গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তীর এই মানব দরদী রূপ এই প্রথমবার দেখেনি তাঁর দর্শকেরা। বরং সামাজিক সেবা মূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন তিনি অনেক বেশি। এইতো কয়েকদিন আগেই দুঃস্থ অসুস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের ভ্যাকসিন এর ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। আসলে শুধুমাত্র নিজেকে ভালো রাখা নয়, সবাইকে বাসযোগ্য সুন্দর স্বপ্নের একটি পৃথিবী উপহার দেওয়ায় বিশ্বাসী অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।

সল্টলেকের ‘আইডিয়াল স্কুল ফর দ্য ডেফ’-এর সঙ্গে ঋতাভরীর সম্পর্ক যখন অভিনেত্রীর বয়স মাত্র ১৬ বছর । এই স্কুলের ৭৪ জন বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়ার দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে তাঁদের জীবনের কান্ডারী হয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ভিডিওটি শেয়ার করে লিখলেন, “৭৪ জন বিশেষ সন্তানের গর্বিত মা আমি। শুভ মাতৃ দিবস।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.