ওয়াশিংটন: আমেরিকার ভোটের সময় ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়তে পারে । তার পাশাপাশি সম্ভাবনা রয়েছে অস্থিরতা বাড়ার। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ। তার মতে, এই ভোট সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলি কাছে এক কঠিন পরীক্ষা হতে চলেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ৩ নভেম্বর। তারপর আস্তে আস্তে ফল গণনা। এর এক সপ্তাহ আগে থেকেই রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি এমন কোন পোস্ট যা নাগরিকদের ভোটদানে নিরুৎসাহিত করে সেগুলি বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে এমন একটি বিজ্ঞাপন এসে পড়ে যা ভোট গণনার পরে আসার কথা ছিল। ফলে তা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। সেই সময়ে জুকারবার্গের এমন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ২০১৬ সালে আমেরিকার ভোটের সময় অভিযোগ উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় আমেরিকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে রাশিয়া সহ আরও কিছু দেশ। ফলে এবারও তেমন কিছু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা নানা মহলের। সেক্ষেত্রে জুকারবার্গের এমন মন্তব্য সেই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

জুকেরবার্গ বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, আমেরিকায় এত বিভাজন এবং ভোটের ফল ঘোষণা হতে যেখানে কয়েক দিন সময় লাগে সেই সময় সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এর জন্য তাদের সংস্থাকে এমন কাজ করতে হবে যা আগে কখনো করা হয়নি। তিনি আরও বলেছেন,আগামী সপ্তাহটা তাদের কাজের ক্ষেত্রে বড় পরীক্ষা হতে চলেছে। যেভাবে কাজ করা হচ্ছে তার জন্যই তিনি গর্বিত বলে জানিয়েছেন। আশা প্রকাশ করেছেন, ৩ নভেম্বরের পরেও তাদের কাজ থামবে না। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, নতুন নতুন বিপদের মোকাবিলা করতে এই সংস্থা কাজ করে যাবে।

এদিকে নির্ধারিত দিনের আগে বিশেষ একটি বিজ্ঞাপন সামনে চলে আসা প্রসঙ্গে ম্যানেজার রব লেদার্নের বক্তব্য, কিছু বিজ্ঞাপনদাতা নিজেদের নীতি পরিবর্তন করেছে এবং এই বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে জুকেরবার্গের বক্তব্য, এই সংস্থা এখন অনেক এগিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাশিয়া চিন ইরানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ১০০টি সংগঠিত নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া ভুয়া অ্যাকাউন্ট ধরতে নানা নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।