মুম্বই: ইরফান খানের মৃত্যুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই আরও একটা ধাক্কা। চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ঋষি কাপুর। দুই বছর লিউকোমিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করার পর সকাল ৮ টা ৪৫-এ মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

লকডাউনে কিংবদন্তী অভিনেতার শেষকৃত্যে যাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, তার জন্য ইতিমধ্যেই কাপুর পরিবারের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ঋষি কাপুরের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে মুম্বইয়ের চন্দনওয়াড়ি শশ্মানে।

যেহেতু কড়া ভাবে লকডাউন চলছে, তাই মুম্বইয়ের স্যর এইচ এন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হসপিটাল থেকে সরাসরি অভিনেতার মরদেহ শশ্মানে নিয়ে যাওয়া হবে যে কোনও মুহূর্তে।

পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, “দুই বছর ধরে দুই মহাদেশে চিকিৎসার পর তিনি বেঁচে থাকার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। পরিবার, বন্ধুবান্ধব, খাবার দাবার ও সিনেমার প্রতি এই সময় নজর দিয়েছিলেন তিনি। যেভাবে তিনি নিজের শরীরের অসুস্থতা বাড়তে দেননি, তা দেখে যারা এই অসুস্থতার সময়ে তাঁকে দেখতে আসত তাঁরা অবাক হয়ে যেতেন।

“বিশ্বজুড়ে তাঁর অনুরাদের ভালোবাসার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সকল অনুরাগীদের বুঝতে হবে তিনি হাসি দিয়েই স্মরণে থাকতে চাইতেন, কান্না দিয়ে না।”

২০১৮ সালে ক্যানসারের চিকিৎসায় বেশ কিছুদিন ধরে আমেরিকাতে ছিলেন তিনি ৷ গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ফেরেন ৷ দিন কয়েক আগে দিল্লিতে দূষণের জন্য ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায়, মুম্বইয়ের এই হাসপাতালে এনেই ভর্তি করা হয়েছিল ঋষি কাপুরকে ৷ সেসময় দিল্লিতে শ্যুটিং করছিলেন ঋষি। তারপরে গতকাল তাঁকে ফের হাসপাতালে ভরতি করা হয় অসুস্থতার কারনে। ছিলেন স্ত্রী নিতু কাপুর ও ছেলে রনবীর কাপুর। কিন্তু যে এই পরিনতি হবে অনেকেই ভাবতে পারেন নি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও