নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের রেস্তোরাঁয় উপর বেজায় চটলেন ঋষি কাপুর। বুধবার ৬৭ বছর পূর্ণ করলেন ঋষি। জন্মদিন উপলক্ষেই সেই রেস্তোরাঁয় ডিনারে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রেস্তোরাঁর খাবার মোটেই মুখে রোচেনি তাঁর।

রেস্তোরাঁ থেকে ফিরেই তাই একটি টুইটের মাধ্যমে ঋষি বলেন, “নীতুর সঙ্গে জন্মদিন উপলক্ষে পার্ক অ্যান্ড ম্যাডের কাছের এক রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলাম। খুব হতাশ হলাম। খুব বেশি দাম, ব্যবহার খারাপ। ওভার রেটেডও। কারোকে এই রেস্তোরাঁয় আসতে বলব না। এক জন পেটুক হয়ে বলছি, এই রেস্তোরাঁকে লাথি মারি।”

আরও পড়ুন : লতাজীর আরও উদার হওয়া উচিত, রানুভক্তদের নিশানায় সুর সম্রাজ্ঞী

তবে এই প্রথম নয়। কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে নিজের মতামত স্পষ্ট করে বলতে সিদ্ধহস্ত ঋষি কাপুর। কিছুদিন আগে এক রেস্তোরাঁয় এক ভক্ত তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে তাঁর সঙ্গে রীতিমতো দুর্ব্যবহার করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বিগত এক বছর ধরে ঋষি কাপুর ও নীতু কাপুর নিউ ইয়র্কে রয়েছেন। সেখানে ঋষির ক্যানসারের চিকিৎসা চলছে। তবে খুব শীঘ্রই তাঁরা মুম্বই ফিরবে বলে কানাঘুষো খবর। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন বলে বি-টাউনে গুঞ্জন। গতকাল জন্মদিন উপলক্ষে বিটাউনের তারকারা বর্ষীয়ান অভিনেতাকে শুভেচ্ছা বার্তায় ভরিয়ে দেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।