চেন্নাই: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে অন্য এক সমস্যায় ভুগছেন ঋষভ পন্ত৷ তবে ক্রিকেটীয় নয়, সম্পূর্ণ অন্য কারণে। নতুন বাড়ি কিনতে চাইছেন ভারতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। কিন্তু কোথায় কিনবেন, সেটা বুঝে উঠতে পারছেন না। তাই ফ্যানেদের কাছে পরামর্শ চাইলেন পন্ত৷

তবে পন্তের বাড়ি কিনতে চাওয়ার মাঝেও অন্য জল্পনাও ভেসে উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বাড়ি কিনে সাতপাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন টিম ইন্ডিয়ার এই তরুণ তুর্কি৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে মাঠে নামার আগে চেন্নাইয়ের টিম হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা৷ বৃহস্পতিবার হোটেলে কোয়ারেন্টাইন থেকেই পন্ত টুইট করেন, ‘অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার পরেই বাড়ির লোক আমার পিছনে পড়ে গিয়েছে। নতুন বাড়ি কেনার জন্য জোর দিচ্ছে। গুরগাঁওতেই কিনব, নাকি অন্য কোথাও? কোনও পরামর্শ থাকলে দিন।’

টিম ইন্ডিয়ার উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের এই পোস্টের পরই নিজেদের মতামত জানাতে শুরু করেছেন ফ্যানেরা। কেউ লিখেছেন, ‘হায়দরাবাদে চলে এসো। এখানকার বিরিয়ানি খেয়ে মন ভরে যাবে।’ কেউ লিখেছেন, ‘ফিরোজ শা কোটলার পাশে নিয়ে নাও৷ আইপিএলে খেলতে সুবিধা হবে৷’ কেউ আবার লিখেছেন ‘মুম্বইয়ে চলে যাও। অধিনায়কের কাছাকাছি থাকতে পারবে।’

সদ্য অস্ট্রেলিয়া সফরে সাফল্য পাওয়া পন্তকে নিয়ে মজা করেছেন অনেকে৷ কয়েকজন আবার লিখেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আধার কার্ড ও নাগরিকত্ব পেলে সিডনিতে কিনতে পার৷’ গত বৃহস্পতিবারই অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে দেশে ফিরেছে ভারতীয় দল৷ অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের নায়ক পন্ত৷ গাব্বায় ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ভারতকে ইতিহাসে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি৷

ব্রিসবেন টেস্ট জিতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা দ্বিতীয়বার সিরিজ জিতে নজির গড়েছে টিম ইন্ডিয়া৷ গাব্বায় ৩২৮ রান তাড়া করে তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে একাধিক নজির গড়েছে ভারত৷ যার নেপথ্যে ছিলেন পন্ত, শুভমন গিল এবং মহম্মদ সিরাজের মতো টিম ইন্ডিয়ার তরুণ তুর্কিরা৷

তবে গত এক সপ্তাহ ধরে বিশ্বক্রিকেটে সবচেয়ে চর্চিত নাম পন্ত৷ গাব্বায় শক্তিশালী অজি বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে রেকর্ড রান তাড়া করে ভারতকে জেতান টিম ইন্ডিয়ার এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ ওপেনিংয়ে গিলের ৯১ রানের দু:সাহসিক ইনিংসের পর পন্তের আক্রমণাত্মক ইনিংসে গাব্বায় অজিদের ৩২ বছরের টেস্ট না-হারার রেকর্ড ভেঙে যায়৷ ম্যাচের সেরা পুরস্কারও জিতে নেন পন্ত৷ লক্ষ্য এবার ইংরেজ ‘বধ’৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।