রাঁচি: ব্রিসবেনে ভারতের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের নায়ক ঋষভ পন্তের ব্যাটিং স্টাইলকে কিংবদন্তি দুই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মহেন্দ্র সিং ধোনি ও অ্যাডাম গিলক্রিস্টের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মাইকেল ক্লার্ক৷ কিন্তু দেশের মাটিতে পা-দিয়ে দিল্লির তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জানিয়েছিলেন কিংবদন্তিদের তাঁর তুলনা করা ঠিক হবে না৷ কয়েকদিন কাটতে না-কাটতেই সেই কিংবদন্তি ধোনির সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা দিলেন পন্ত৷

বৃহস্পতিবার দেশের মাটিতে পা-দিয়ে ভারতের এই তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জানিয়েছিলেন, দয়া করে কিংবদন্তিদের সঙ্গে তুলনা করবেন না৷ গাব্বায় রেকর্ড ৩২৮ রান তাড়া করে ভারতের জয়ের নেপথ্যে ছিল পন্তের দুরন্ত ব্যাটিং৷ ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ভারতকে ব্রিসবেন টেস্ট ও সিরিজ জেতান পন্ত৷

দিল্লি বিমানবন্দরে পা-রেখে সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পন্ত বলেছিলেন, ‘এমএস ধোনির সঙ্গে তুলনা হলে যে কারোই ভালো লাগবে৷ আমার সঙ্গেও তুলনা হওয়ায় ভালো লাগছে৷ কিন্তু আমি চাই না, কিংবদন্তিদের সঙ্গে আমার তুলনা হোক৷ আমি নিজের নামেই দেশের হয়ে খেলতে চাই৷ এটাই আমার লক্ষ্য৷ কারণ তরুণ অবস্থায় কিংবদন্তিদের সঙ্গে তুলনা ঠিক হবে না৷’

অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে ধোনি ও তাঁর পত্মী সাক্ষীর সঙ্গে দেখা করেন পন্ত৷ মঙ্গলবার সাক্ষী তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন৷ যেখানে দেখা যাচ্ছে, ধোনি ও সাক্ষী বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও কলে ব্যস্ত৷ দূর থেকে যা দেখছেন পন্ত৷ ধোনির মাথায় ছিল সবুজ রঙের টুপি৷

অ্যাডিলেড ওভারে সিরিজের প্রথম টেস্টে পন্তের পরিবর্তে ঋদ্ধিমান সাহাকে খেলিয়েছিল ভারত৷ কিন্তু প্রথম টেস্টের পর বিরাট কোহলি দেশে ফেরার পর ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে পন্তকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট৷ সিডনিতে দুরন্ত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ ড্র করতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি৷ আর ব্রিসবেনে অসম্ভবকে সম্ভব করেন তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং৷ ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে গাব্বায় ভারতকে ম্যাচ ও সিরিজ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন পন্ত৷ সেই সঙ্গে ইতিহাস সৃষ্টি করে ভারত৷

সিরিজে ভারতীয়দের মধ্যে সবেচেয় বেশি ২৭৪ রান করেন পন্ত৷ গড় ৬৮ বেশি৷ যার মধ্যে ছিল দু’টি হাফ-সেঞ্চুরি৷ সিডনি ও ব্রিসবেনে দারুণ ব্যাটিং করে কেরিয়ারে প্রথমবার টেস্ট ব়্যাকিংয়ে ১৩ নম্বরে পৌঁছন পন্ত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।