ব্রিসবেন: গাব্বায় ভারতের ঐতিহাসিক টেস্ট ও সিরিজ জয়ের নায়ক ঋষভ পন্তের প্রশংসায় প্রাক্তন অজি অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক৷ ব্রিসবেনে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে প্রথমবার গাব্বায় টেস্ট জেতে ভারত৷ সেই সঙ্গে ৩২৮ রান তাড়া করে রের্কড গড়ে টিম ইন্ডিয়া৷

ব্রিসবেনে ভারতের এই জয়কে ১৯৭১-এর ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কর৷ এটি ভারতের টেস্ট ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়৷ একই সঙ্গে গাব্বায় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়৷ এর আগে গাব্বায় সর্বোচ্চ ২৩৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ১৯৮৮ সালে ভিভ রিচার্ডসের ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷

ভারতের টেস্ট ও সিরিজ জয়ের প্রসঙ্গে ক্লার্ক ভারতীয় উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান পন্তকে ‘সুপারস্টার’ অ্যাখ্যা দিলেন৷ পন্তের ব্যাটিংয়ের স্টাইলকে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও অ্যাডাম গিলক্রিস্টের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷ ক্লার্ক বলেন, ‘আইপিএল ধারাভাষ্য দেওয়ার কারণে ঋষভ পন্তকে বেশি দেখেছি৷ ওকে আমার সুপারস্টার বলে মনে হয়৷ আমার মনে হয়, ভারত প্রথম টেস্টে খারাপ অবস্থায় ছিল, কারণ তারা সেরা উইকেটকিপারকে খেলিয়েছিল৷

অ্যাডিলেড ওভারে সিরিজের প্রথম টেস্টে পন্তের পরিবর্তে ঋদ্ধিমান সাহাকে খেলিয়েছিল ভারত৷ কিন্তু প্রথম টেস্টের পর বিরাট কোহলি দেশে ফেরার পর ব্যাটিং শক্তি বাড়াতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে পন্তকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট৷ পন্ত সম্পর্কে ক্লার্ক বলেন, ‘পন্তের মতো খেলোয়াড়কে বসিয়ে রাখা ঠিক নয়৷ হ্যাঁ, ও কয়েকটি ক্যাচ ফেলেছে৷ কিন্তু ও ম্যাচ-উইনার৷ পন্তের ব্যাটিং স্টাইল ধোনি এবং গিলক্রিস্টের মতো৷ তরুণ এই ভারতীয় উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান একার হাতে ম্যাচ জেতাতে পারে৷’

সিডনিতে দুরন্ত ৯৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ ড্র করতে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন পন্ত৷ আর ব্রিসবেনে অসম্ভবকে সম্ভব করেন তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং৷ ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে গাব্বায় ভারতকে ম্যাচ ও সিরিজ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন পন্ত৷ সেই সঙ্গে ইতিহাস সৃষ্টি করে ভারত৷ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা দু’বার টেস্ট সিরিজ জয়ের কৃত্বিত অর্জন করে টিম ইন্ডিয়া৷ ্য

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।