মুম্বই: তিন ওপেনারকে একসঙ্গে প্লেইং ইলেভেনে জায়গা করে দিতে সম্ভাব্য বেশ কয়েকটা বিকল্প হাতে রেকেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট৷ তার একটা যদি হয় ব্যাটিং অর্ডারে বিরাটের নীচের দিকে নামা, তবে অন্য রাস্থা হিসেবে লোকশকে উইকেটকিপার হিসেবে ব্যবহারের কথাও মাথায় ছিল কোহলিদের৷ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শেষমেশ উইকেটকিপারের গ্লাভসজোড়া হাতে তোলেন কেএল৷ তবে সেটা প্রাথমিক পরিকল্পনা মাফিক নয়৷ বরং এক প্রকার বাধ্য হয়ে৷

আরও পড়ুন: টেস্ট ক্রিকেটে ‘চার দিন কি চাঁদনি’ চান না বীরু

লোকেশ রাহুলকে উইকেটকিপারের ভূমিকা পালন করতে হয় ঋষভ পন্ত ফিল্ডিং করতে না নামায়৷ ব্যাটিংয়ের সময় যে বলটিতে আউট হন ঋষভ, সেটি ব্যাটের কানা ছোঁয়ার পর আঘাত করে তাঁর হেলমেটে৷ সাজঘরে ফেরার পর ফিজিওর নজরদারিতে রাখা হয় পন্তকে৷ তাঁর কনকাশন পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন মণীশ পান্ডে৷ পন্ত না থাকায় উইকেটকিপিং করেন রাহুল৷ ঠিক যেভাবে রাহুল দ্রাবিড় পার্টটাইমার থেকে জাতীয় দলের বিশেষজ্ঞ উইকেকিপার হয়ে উঠেছিলেন, সেভাবেই লোকেশ রাহুল দ্বিতীয় ‘দ্রাবিড়’ হয়ে উঠতে পারেন কিনা, সেটাই এখন দেখার৷

আরও পড়ুন: ২-১ সিরিজ জিতবে অস্ট্রেলিয়া, ভবিষ্যদ্বাণী পন্টিং’য়ের

তার আগে বিরাট কোহলির ছেড়ে দেওয়া ব্যাটিং অর্ডারের তিন নম্বরে খেলতে নেমে লোকেশ নিশ্চিত অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন৷ তিনি আউট হন ব্যক্তিগত ৪৭ রানে৷ ৬১ বলের ইনিংসে রাহুল ৪টি বাউন্ডারি মারেন৷ শিখর ধাওয়ানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১২১ রান যোগ করেন তিনি৷

আরও পড়ুন: ২ বছর পর কোর্টে ফিরেই দুরন্ত জয় সানিয়ার

ওয়াংখেড়েতে ভারত টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.১ ওভারে ২৫৫ রানে অল-আউট হয়ে যায়৷ ধাওয়ান দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে আউট হন৷ বিরাট কোহলি চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৬ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেননি৷

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব