হাওড়া: প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে একই অভিযানে গিয়ে পরপর দু’বার আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেস-ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যাটলিনা চ্যানেল সাঁতরে পারাপার করে বিরল কৃতিত্ব গড়ল হাওড়ার রিমো সাহা। প্রতিবন্ধী সাঁতারু হিসেবেই শুধু নয়, প্রথম ভারতীয় হিসেবেও সে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করল।

সোমবার সকালে রাজধানী এক্সপ্রেসে রিমো ফেরে হাওড়া স্টেশনে। তাকে সম্বর্ধনা জানাতে স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা সহ অনেকে। মাত্র ২৬ বছরে হাওড়ার সালকিয়ার নন্দীবাগানের রিমো এই নজির গড়ল। এর আগে গত বছর ২০১৮ এর ২৪ জুন সে প্রতিবন্ধী সাঁতারু হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিল। এক বছরের মাথায় এবার পার করল ক্যাটলিনা চ্যানেল।

এদিন হাওড়া স্টেশনে ফিরে রিমো সাহা বলেন, আজকে বলার কোনও ভাষা নেই। খুবই ভাল লাগছে। সাঁতার শুরু করেছিলাম অনেক ছোটবেলা থেকেই। ইংলিশ চ্যানেলের পর আজকে ক্যাটলিনা চ্যানেল জয় করে এশিয়ান রেকর্ড করে বাড়ি ফেরা আলাদা একটা অনুভূতি। খুবই ভাল লাগছে। আমি এবার অভিযানে গিয়ে দু’বার ক্যাটলিনা চ্যানেল জয় করেছি। একটা করি ১৪-১৫ আগস্ট তারিখে। যেখানে সময় লেগেছিল ১১ ঘন্টার মতো। এরপর দ্বিতীয়বার ক্যাটলিনা চ্যানেল পার করি ১৮-১৯ আগস্ট। সেখানে আমার সাড়ে ১১ ঘন্টা সময় লাগে।

দু’টো মিলিয়ে আমি শুধু বাংলা নয়, ভারতের একজন সাঁতারু যে পরপর ২ বার ক্যাটলিনা চ্যানেল পার করেছি তিনদিনের ব্যবধানে। সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার জন্য সাঁতার শুরুই হয়েছিল রাতে। সেখানে হাঙর, জেলিফিস সহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী থাকে সকালে। সেইজন্য রাতে সাঁতার শুরু করেছিলাম। পরবর্তীকালে সাত সমুদ্র পার করার পরিকল্পনা রয়েছে। একটা চাকরি ও স্পনসরের প্রয়োজন এই মুহুর্তে। এই দুটো হয়ে গেলেই পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারব। এই অভিযানে যাওয়ার আগে আমাকে মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা প্রচুর সাপোর্ট দিয়েছেন।

ক্রীড়ামন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলেন, রিমোর কৃতিত্বের কথা আমরা সবাই জানি। আমরা সবাই ওর পাশেই ছিলাম। ওর এই সফর এটাই শেষ নয়। ওর কেরিয়ারে অনেক অ্যাচিভমেন্ট বাকি আছে। আমরা সকলেই চাই রিমো এভাবেই এগিয়ে চলুক। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী গত বছর রিমোকে সম্বর্ধনা দিয়েছিলেন ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তর থেকে। এরকম প্রতিভার পাশে সবার দাঁড়ানো উচিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.