চন্ডিগড়: সোমবার রিলায়েন্স জিও পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার হাইকোর্টের কাছে আর্জি জানিয়েছে, তাদের সংস্থার পরিকাঠামোর উপর যে ধ্বংসাত্মক আঘাত আনা হচ্ছে তা বন্ধ করার জন্য এবং এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার জন্য পাঞ্জাব সরকারকে যেন নির্দেশ দেওয়া হয়। মুকেশ আম্বানি গোষ্ঠীর এই সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের সংস্থার কর্মীদের জীবন বিপন্ন হচ্ছে এবং যোগাযোগের পরিকাঠামো নষ্ট করা হচ্ছে।

এদিন সকালে জিওর পক্ষ থেকে আদালতে আবেদনে জানিয়েছে, কৃষক আন্দোলনের নাম করে দুষ্কৃতীরা এমন কাজ করছে একদল স্বার্থান্বেষী মানুষের প্ররোচনায়। এর আগেই জিওর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পাঞ্জাবের তাদের ১৫০৪টি টাওয়ারে এই আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে যা তাদের মোট টাওয়ারের ১৫ শতাংশ। একই রকম দশা হরিয়ানার ৮৫টি টাওয়ারের।

ওই আবেদনে জানানো হয়েছে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড আগে কোনরকম চুক্তি চাষ করেনি এবং ওই রকম ব্যবসায় প্রবেশের কোনও ‌পরিকল্পনা নেই। রিলায়েন্স অথবা তার অধীনস্ত কোনও সংস্থা চুক্তি চাষের জন্য প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে কৃষি জমি‌ ক্রয় করেনি পাঞ্জাব হরিয়ানা অথবা ভারতের অন্য কোনও অঞ্চলে । তাদের তেমন কোনও পরিকল্পনা নেই।

প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে,টেলিকম নিয়ন্ত্রক ট্রাই এর কাছে অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছিল রিলায়েন্স জিওকে। তাদের অভিযোগ ছিল কৃষক বিরোধী তকমা দিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ বিভাজনের বার্তা ছড়ানো হচ্ছে রিলায়েন্স জিওর বিরুদ্ধে। আর এই কাজটা করছে প্রতিদ্বন্দী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন আইডিয়া। এইভাবে তাদের গ্রাহক কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে ।যদিও এমন অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয় দুই টেলিকম সংস্থা।

সম্প্রতি কৃষি বিল নিয়ে রীতিমতো বিতর্ক চলছে দেশজুড়ে। আন্দোলনরত কৃষকদের অভিযোগ, নয়া কৃষি বিল তাদের স্বার্থ বিরোধী, এটা আনা হচ্ছে কর্পোরেটদের সুবিধার্থে। তার ফলে অভিযোগের আঙুল উঠেছে আদানি আম্বানিদের দিকে। ওই পরিস্থিতিতে ট্রাই এর কাছে রিলায়েন্স জিও অভিযোগ জানিয়েছিল, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিকম সংস্থাগুলি এজেন্ট এবং খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে প্রচার চালাচ্ছে রিলায়েন্স জিওর সংযোগ ছাড়লে কৃষক আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হবে।আর এমন প্রচারের ফলে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি-র মাধ্যমে জিও ছেড়ে অন্য সংস্থায় তাদের মোবাইল সংযোগ করার জন্য বহু আবেদন জমা পড়েছে ।যদিও এই গ্রাহকদের জিওর পরিষেবা সম্পর্কে কোনো অভিযোগ নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।