নয়াদিল্লি: নিজেদের দূর্গে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর কোটলার পিচ নিয়ে হতাশা লুকিয়ে রাখেন নি দিল্লি অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার৷ ক্যাপ্টেনকে সমর্থন করে কোটলার বাইশগজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিংও৷ পান্টার বলেন, ঘরের মাঠে তিনটি ম্যাচের মধ্যে সানরাইজার্স ম্যাচটিই সব থেকে খারাপ পিচে খেলেছে দিল্লি৷

পন্টিং বলেন, ‘এমন পিচ আমাদের অবাক করেছে৷ ম্যাচের আগে কিউরেটরের সঙ্গে কথা বলেছিলেম৷ উনি আশা করেছিলেন কোটলায় আগের দু’টি ম্যাচের থেকে এই পিচটা ভালো হবে বলে৷ বাস্তবে এটা ছিল সব থেকে খারাপ পিচ৷ সবাই দেখেছে, পিচ কতটা স্লো আর লো বাউন্সের ছিল৷’

আরও পড়ুন: রাতে মুম্বইকে জিতিয়ে সকালে শ্রীলঙ্কায় আগুন ঝরালেন মালিঙ্গা

পিচ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও পন্টিং জানান যে, সানরাইজার্স বোলাররা বাইশগজের সুবিধাকে যথাযথ ব্যবহার করে তাঁদের টেক্কা দিয়েছে৷ পন্টিংয়ের কথায়, ‘পিচটা সানরাইজার্স বোলারদের উপযোগী ছিল এবং ওরা সেটাকে যথাযথ ব্যবহার করেছে৷ পিচের সঙ্গে হায়দরাবাহ বোলারার দ্রুত মানিয়ে নিয়েছে এবং স্লোয়ার, নাকল বল প্রভৃতি কার্যকরী ডেলিভারির প্রয়োগ করেছে’

নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নিয়েও পন্টিং বলেন, তাঁরা আরও একটু ভালো পিচ আশা করেছিলেন৷ এই ধরণের পিচ দিল্লির বোলারদের উপযোগী নয় বলে মন্তব্য করার পাশাপাশি প্রয়োজনে টিম বাছায় আরও মুন্সিয়ানা দেখাতে হবে বলেও মনে করেন ক্যাপিটালস কোচ৷

আরও পড়ুন: কলকাতার নজর জয়ে ফেরায়, কোহলিদের লক্ষ্য প্রথম জয়

পন্টিং জানান, ‘কয়েকটা জায়গায় আমাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে৷ এটা আমাদের ঘরের মাঠে৷ এখানের পরিবেশে প্রতিপক্ষের থেকে ভালো খেলার উপায়টা রপ্ত করতে হবে আমাদের৷ অথচ প্রতিপক্ষরাই এখানে আমাদের থেকে ভালো ক্রিকেট খেলছে৷ সুতরাম নিজেদের খেলায় আমাদের অনেক উন্নতি করতে হবে৷ যদি এরকম পিচে খেলা হয়, তবে আমাদের টিম বাছাইয়ে আলাদা করে নজর দিতে হবে৷ হয়ত আমাদের বোলাররা এমন পিচের জন্য তৈরি ছিল না, তবে আমরা কিউরেটর যেমন বলেছিলেন, ঠিক তেমন পিচ আশা করেছিলাম৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.