আমদাবাদ: মোতেরায় ভারত-ইংল্যান্ড পিঙ্ক বল টেস্টের পিচের সমালোচকদের একহাত নিলেন কিংবদন্তি ভিভিয়ান রিচার্ডস৷ শুধু তাই নয়, চতুর্থ তথা সিরিজের শেষ টেস্টেও একই রকম পিচ চান ‘কিং অফ ক্রিকেট’৷

মোতেরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পিঙ্ক বল টেস্টে দু’দিনের কম সময়ে ইংল্যান্ডকে হারায় ভারত৷ ১০ উইকেট তৃতীয় টেস্ট জিতে চার টেস্টের সিরিজে ২-১ এগিয়ে যায় কোহলি অ্যান্ড কোং৷ মাত্র দু’দিনে ৩০টি উইকেট পড়ায় মোতেরার পিচের সমালোচনা করেন প্রাক্তনরা৷ কিন্তু তাঁদের সঙ্গে একমত নন রিচার্ডাস৷ স্পিন ল্যান্ডে টার্নিং ট্র্যাক দেখে মোটেই বিস্মিত প্রাক্তন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক৷

এক ফেসবুক ভিডিও রিচার্ডস বলেন, ‘সম্প্রতি ভারত-ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছি৷ কিন্তু আমি প্রশ্ন শুনে বিস্মিত হয়েছিলাম, পিচ নিয়ে হাহাকার ও কান্না দেখে৷ যারা হাহাকার করছে, তাদের উচিত সিমিং ট্র্যাক নিয়ে উপলব্ধি করা যেখানে পিচ বল পড়ে হঠাৎ করে লাফিয়ে ওঠে৷’

প্রথম দিন থেকেই বল ঘুরতে থাকা টেস্টের মেয়াদ দু’দিনও পূর্ণ হয়নি৷ দ্বিতীয় দিন শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত৷ দ্বিতীয় দিন ১৭টি উইকেট পড়ে৷ সব ক’টি উইকেট নেন স্পিনাররা৷ প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ১১২ রানের জবাবে ১৪৫ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের ইনিংস৷ ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন জো রুট মাত্র ৮ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ড ম্যাচে ফেরালেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভারতের সামনে ৫০ রানে টার্গেট দিতে পারেনি তারা৷

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ইংল্যান্ডকে শেষ করে দেন ভারতের দুই স্পিনার অক্ষর প্যাটেল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন৷ অক্ষরের পাঁচ এবং অশ্বিনের চার উইকেটের যাঁতাকলে মাত্র ৮১ রানে শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস৷ প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে এগিয়ে থাকায় জয়ের জন্য ভারতকে করতে হত ৪৯ রান৷ যা তুলতে কোনও বেগ পেতে হয়নি ভারতীয় ওপেনারদের৷ ১১টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা অক্ষর প্যাটেল৷

পিচ সমালোচকদের একহাত নিয়ে রিচার্ডস আরও বলেন, ‘লোকেরা ভুলে যায়, তারা কোথায় খেলছে৷ ভারতে খেলতে হলে, এটা প্রত্যাশিত৷ স্পিন ল্যান্ডে খেলতে গেলে তোমাকে তার জন্য তৈরি হতে হবে৷ আমি বিশ্বাস করি, পিচ নিয়ে হাহাকার ও কান্নাকাটি না-করে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ভালো খেলার জন্য তৈরি হওয়া৷’ চিপকে দ্বিতীয় টেস্টে ৩১৭ রানে হারের পর আমদাবাদে পিঙ্ক বল টেস্টে ১০ উইকেটে হারে ইংল্যান্ড৷ সেই সঙ্গে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে ছিটকে যায় রুটবাহিনী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।