কলকাতা: দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে-লাফিয়ে। সংখ্যাটা ইতিমধ্যেই ১,০০০ ছুঁয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন। এমন সময় করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আপদকালীন ফান্ডে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন প্রাক্রন থেকে বর্তমান ক্রিকেটার ও দেশের অন্যান্য অ্যাথলিটরা। তালিকায় নবতম সংযোজন রিচা ঘোষ। জাতীয় মহিলা দলের টিন-এজ ক্রিকেটার এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের করোনা রিলিফ ফান্ডে দান করলেন ১ লক্ষ টাকা।

ফোর্বসের বিচারে পৃথিবীর ধনীতম অ্যাথলিটদের তালিকায় প্রথম একশোয় থাকা ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি যখন ঘরবন্দি অবস্থায় হেয়ারকাট সারছেন স্ত্রী অনুষ্কার কাছে, তখন কিছুটা নিঃশব্দেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন উত্তরবঙ্গের এই টিন-এজ মহিলা ক্রিকেটার। উল্লেখ্য, যার নামের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে এত ব্র্যান্ড এনডোর্সমেন্ট, যার প্রত্যেকটা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট থেকে অর্জিত আয় লজ্জায় ফেলে দেবে দেশ-বিদেশের তাবড় তাবড় অ্যাথলিটদের, সেই বিরাট কোহলি করোনা তহবিলে এখনও অবধি অনুদান করেননি কিছুই। উলটে ঘরে বসে অনুষ্কার কাছে তাঁর চুল কাটার ভিডিও দেখে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা।

দুর্দিনে পুনের একটি এনজিও’কে মাত্র ১ লক্ষ টাকা অর্থসাহায্য করে সমালোচিত আরেক বিত্তশালী ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনি। ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে রিচার অনুদান নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। টিন-এজ মহিলা ক্রিকেটারের এই অর্থসাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল। শিলিগুড়ির ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিষ্ট্রেট সুমন্ত সহায়ের কাছে ১ লক্ষ টাকার চেক পৌঁছে দিয়েছেন রিচার বাবা।

করোনা সংকটে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অ্যাথলিটদের সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। সিএবি ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান করেছিল আগেই। গরিব ফুটপাতবাসীদের মুখে অন্ন তুলে দিতে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় দান করেছেন ৫০ লক্ষ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ২৫ লক্ষ টাকা করে অর্থসাহায্য করেছেন মাস্টার-ব্লাস্টার। সমপরিমাণ অর্থ অনুদান করেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক গৌতম গম্ভীরও। গতকালই উত্তরপ্রদেশ সরকারের আপদকালীন তহবিলে ৫২ লক্ষা টাকা অনুদান করেছেন সদ্য বাবা হওয়া সুরেশ রায়না।

অনুদান প্রসঙ্গে দিনকয়েক আগে টি-২০ বিশ্বকাপ দলের সদস্যা রিচা জানিয়েছেন, ‘কোভিড-১৯’র বিরুদ্ধে সবাই যখন লড়াই করছে, মুখ্যমন্ত্রী যখন একসঙ্গে এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন, তখন আমার মনে হয় একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এটা আমার কর্তব্য।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।