কলকাতা: সম্প্রতি রাইস মিলগুলিতে কাজ ব্যহত হলেও ফের চালু হয়েছে। কারণ সেখানে প্রয়োজনীয় মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাইস মিলগুলির জন্য প্রায় ১০ হাজার মাস্ক এবং স্যানিটাইজার পাঠানোর ব্যবস্থা করে যাতে ওইসব রাইসমিল গুলি ঠিকমতো উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারে।

করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় এইসব রাইসমিল গুলির মজুরদের অনেকেই ভিন রাজ্যে নিজেদের বাড়িতে চলে গিয়েছে। পাশাপাশি এ রাজ্যের মজুররা করোনার ভয়ে মিলে আসা বন্ধ করেছিল। ফলে মিলগুলিতে উৎপাদন ব্যহত হচ্ছিল। তা জানতে পেরে দুশ্চিন্তা বাড়ে রাজ্য সরকারের‌ কেননা খাদ্য সরবরাহ ভবিষ্যতে ঠিক রাখতে হলে এই মিল গুলি সচল রাখা দরকার। তার ফলে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ওই সব রাইস মিলগুলির জন্য ‌ মাস্ক এবং স্যানিটাইজার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

রাজ্যের রাইস মিল মালিকদের অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে খবর ‌ মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো মাস্ক এবং স্যানিটাইজার বিভিন্ন রাইস মিলে মজুরদের ব্যবহারের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে । এর ফলে বেশ কিছু মিলে ফের উৎপাদন শুরু করা গিয়েছে। পাশাপাশি মিল মালিকরা‌‌ জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, এইসব শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যাপারে।

লকডাউন জারি হওয়ায় সম্প্রতি চালের চাহিদা বেশ বেড়েছে। অনেকেই আতঙ্কে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাল কিনে রাখছেন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। অন্যদিকে এই সময় কেউ কেউ অতিরিক্ত মুনাফার লোভে চাল মজুদ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি অনুধাবন করে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ নজরদারি শুরু করেছে। এদিকে সরকার ইতিমধ্যে জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে যে পরিমাণ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে আপাতত পাঁচ ছয় মাস সরবরাহে কোন সমস্যা হবে না।