কলকাতা: সুশান্ত সিং রাজপুত এবং রিয়া চক্রবর্তী ঘটনায় প্রথম থেকে নজর রাখছে পুরুলিয়ার বাগমুন্ডি এলাকার টুনটুরি গ্রাম। আত্মহত্যা নাকি খুন, নাকি রয়েছে অন্য কোনও রহস্য সমস্ত প্রথম থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন এই গ্রামের মানুষ। এই গ্রামে রিয়া চক্রবর্তীর ‘দেশের বাড়ি’ রয়েছে বলা যেতে পারে।

পুরুলিয়ার বাগমুন্ডির এই গ্রামেই রিয়া চক্রবর্তী দের আদি বাড়ি। রিয়ার দাদু শিরীষ চক্রবর্তী এই বাড়ির মালিক এবং তিনি এলাকায় খুব সম্মানিত একজন ব্যক্তি ছিলেন। দুর্গাপুজোয় এই বাড়ি এক উৎসব স্থল হয়ে ওঠে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে রিয়া চক্রবর্তীর পরিবার এর এই প্রাচীন বাড়ি গত ৩২৩ বছর ধরে দুর্গাপূজার সময় উৎসব স্থলে পরিণত হয়।

বাগমুন্ডি অঞ্চলে রিয়ার পরিবার এবং আত্মীয় স্বজনেরা খুবই পরিচিত এবং সম্মানিত বলে জানা যায়। নিয়মিত জনহিতকর কাজ করার জন্য তারা এই গ্রামে খুবই পরিচিত। ১৯৬৭ সালে রিয়ার দাদু শিরীষ একটি স্কুল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য গ্রামে ২৮ বিঘা জমি দান করেছিলেন। এই গ্রামের বেশ কয়েকজন এই পরিবারের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত। এই পরিবারের সঙ্গে সুশান্ত সিং রাজপুতের যোগাযোগ কিভাবে সেই ব্যাপারেও তারা ওয়াকিবহাল।

রিয়ার দাদু যে জমি দান করেছিলেন, সেখানে যে স্কুল রয়েছে তার প্রাক্তন হেডমাস্টার বীর সিং মাহাতো বলেছেন, “আমি এখনো খবরটা বিশ্বাস করতে পারি না। ওদের পরিবার খুব সম্ভ্রান্ত। শিরিষ বাবুর দুই ছেলেই জীবনে উন্নতি করেছেন। গ্রামের মানুষের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছেন। যদিও পরিবারের কেউ এখন এই গ্রামের বাড়িতে থাকেন না। কিন্তু শিরীষ বাবুর দেওয়া জমিতে স্কুল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর মানুষ এখনো নির্ভর করে। আমরা আশা করছি সুশান্তের ঘটনায় সত্যিটা সামনে আসবে শীঘ্র।”

বীর সিং মাহাতো জানান, এই গ্রামে এখনো পর্যন্ত শুধু এই একটি স্কুলই রয়েছে। ২২ বছর আগে বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে রিয়া এই বাড়িতে এসেছিলেন। মাহাতো বলছেন, “ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী স্থানীয় মন্দিরে বেশ কিছু টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকা দিয়ে স্টোর রুম তৈরি করা হয়। পরিবার থেকে এসেই শেষবার কেউ এই গ্রামে এসেছিলেন।”

এই গ্রামে রিয়ার আদি বংশের সমস্ত ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। মানুষের সাহায্য করার জন্য তার পরিবার খুবই সম্মানীয় এখানে। আর তাই গ্রামের মানুষ আশা করে আছেন সত্যিটা জানার জন্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.