স্টাফ রিপোর্টার,বালুরঘাট: উৎসবের আনন্দে সবাইকে সামিল করে নেওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে অভিনব কর্মসূচি পালন করে আসছে ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার একটি পুজো কমিটি। দুর্গা পুজোর খরচ বাঁচিয়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা দুর্ঘটনাগ্রস্ত মানুষদের সাহায্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০ হাজার টাকা দিলেন হিলির বিপ্লবী সংঘের দুর্গা পুজা কমিটির সদস্যরা। আজ বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলাশাসক নিখিল নির্মল এর হাতে তারা ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিয়েছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরের দুর্গাপুজো আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম হিলির বিপ্লবী সংঘ ক্লাব। প্রতিবারই এই ক্লাবের দুর্গাপুজোয় থাকে কিছু না কিছু নতুন চমক। তাদের বিগ বাজেটের পুজোয় শুধু দক্ষিণ দিনাজপুরের নয় মালদহ উত্তর দিনাজপুর এমনকি প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে বৈধ পাসপোর্টে সেই দেশের নাগরিকরা এসে পুজোর আনন্দে সামিল হন। এবারেও প্যান্ডেল ও প্রতিমা সহ সেরা থিমের মাধ্যমে সেরা পুজো উপহার দিয়েছে হিলির এই ক্লাব। বিগ বাজেটের পুজো উপহার দেওয়ার পাশাপাশি খরচ বাঁচিয়ে দূর্গতদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ দান করে থাকেন। সেই মোতাবেক এবারও তারা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ তুলে দিলেন। বিপ্লবী সংঘের সদস্যদের এই উদ্যোগে খুশি জেলাশাসক নিখিল নির্মল। তিনি এদিন জানিয়েছেন যে চাকরির সুবাদে তিনি বিভিন্ন জেলায় ঘুরেছেন কিন্তু দূর্গা পুজোর খরচ বাঁচিয়ে দুর্গতদের জন্য কিছু করার এই উদ্যোগ এই প্রথম চাক্ষুস করলেন। তিনি একথাও জানিয়েছেন, প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তারা যদি এই ধরনের কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত হন তাহলে বিপদের সময় দুর্গতদের পাশে থাকার কাজটা আরও সহজ হয়ে দাঁড়াবে।

বিপ্লবী সংঘের সম্পাদক গনেশ সাহা জানিয়েছেন, শুধু এবার নয় বিগত কয়েক বছর ধরেই তারা এই ধরনের কর্মকাণ্ড করে আসছেন। এই কাজে তাদের একটাই উদ্দেশ্য উৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। দূর্গা পুজোর খরচ বাঁচিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ দানের মাধ্যমে বন্যা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে শিকার অসহায় মানুষদের মুখে হাসি ফোটানো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।