হিন্দি জগতের প্রখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার যিনি এতদিন করোনা আক্রান্ত হিসেবে হাসপাতেলে ছিলেন, আজ সোমবার তিনি বাড়ি ফিরেছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে “রাম সেতু” চলচ্চিত্রে অভিনয় করবার সময় করোনায় সংক্রমিত হন এই খিলাড়ি অভিনেতা। জনপ্রিয় অভিনেতার বাড়ি ফিরে আসায় খুশিতে তার স্ত্রী অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্না। স্বামীর সুস্থ হয়ে ফিরে আসার আনন্দে অভিনেত্রী নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি দম্পতির অনিমেটেড ছবির সঙ্গে “ অল ইজ ওয়েল” লিখে পোস্টও করেন।

গত সপ্তাহে এই অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্না বর্তমান সময়ে বিশ্বের এই অনিশ্চিয়তা জীবন নিয়ে একটি কবিতা সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করেণ। সেখানে অভিনেত্রী লিখেছে, আমাদের প্রতিটা দিন সমান, অনেকটা সিরিজের মতো। ভবিষ্যৎ একটি সুন্দর রাস্তা কিন্তু যা আমরা চোখে দেখতে পায় না। এর পাশাপাশি অতীতের ভাসমান কাগজ নৌকা বাদে আমাদের হৃদয়কে আনন্দিত করার জন্য আর কী করতে পারি, বলেও তিনি একটি লাইন কবিতায় উল্লেখ করেছেন।

পাশাপাশি মহারাষ্ট্রে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে সেখানে কার্ফু এবং ছুটির দুটি দিন লকডাউন ঘোষণা করেছে সেখানকার রাজ্য সরকার। আর এই কার্ফু এবং লকডাউন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী একটি সমুদ্র ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভাগ করে লিখেছেন, একটা সমুদ্র একটা কুকুরের কাছে গেছিলো, এবং সেটা আমাদের ছুটির দিন। পাশাপাশি এই লেখার শেষে সকলকে সুস্থ থাকার কথাও উল্লেখ করেছে অভিনেত্রী।

এপ্রিলের শুরুর দিকে করোনা সংক্রমিত হন খিলাড়ির অভিনেতা অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি তার একটি সিনেমা “রাম সেতু” করবার সময়ে এই ভাইরাসের কবলে পড়ে অভিনেতা। আর এর পরে তার সকল ভালোবাসার মানুষ তথা ভক্তদের উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ার সংবাদ প্রকাশ করে অভিনেতা। অভিনেতা লেখেন, “আমি সকলকে জানাতে চায়, সকালে করোনা পরিক্ষার পর আমার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। সমস্ত নিয়মবিধি মেনে আমি নিজেকে সকলের থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছি। আমি হোম কোয়ারেন্টাইন আওতাধীন এবং প্রয়োজনীয় চিকিত্সা যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমার সংস্পর্শে থাকা সকলকে কোভিড পরীক্ষা করার জন্য অনুরোধের সঙ্গে যত্ন নেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করব। খুব শীঘ্রই ফিরে আসছি। “

মহারাষ্ট্রে করোনার থাবা পড়েছে ফিল্ম সিটিতেও। অক্ষয় কুমারের পাশাপাশি আলিয়া ভাট, বিকি কৌশলরাও করোনা আক্রন্ত হন। আর এই কারণে সমস্ত নিয়মবিধি মেনে চলার নিয়ম জারি করা হয়েছে সেট, প্রডাকশন হাউসগুলিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.