নয়াদিল্লি: কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের সিদ্ধান্তকে রীতিমত চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা করলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন এয়ার ভাইস মার্শাল সহ আরও ছয়’জন। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, এই নির্দেশ অসাংবিধানিক। পাশাপাশি কাশ্মীর রি-অড়গানাইজেশন বিলটিকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।

ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন এয়ার ভাইস মার্শাল কপিল কাক। একইসঙ্গে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আরও ৫ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেজর জেনারেল অশোক মেহতা, প্রাক্তন আইএএস অফিসার হিন্দল হায়দার ত্যবজি। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জম্মু ও কাশ্মীরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাধা কুমার, পঞ্জাব ক্যডেটের আইএএস অফিসার অমিতাভ পাণ্ডে এবং স্বরাষ্ট্র সচিব গোপাল পিল্লাই।

৬ অগাস্ট, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পরদিনই এ নিয়ে প্রথম পিটিশনটি জমা করা হয়েছিল। তার পর থেকে যে ছ’টি পিটিশন এই ইস্যুতে দায়ের হয়েছে, কোনও না কোনও ত্রুটি থেকে গিয়েছে। এ নিয়ে প্রথম পিটিশনটি ছিল আইনজীবী এমএল শর্মার। পিটিশন ত্রুটিমুক্ত করে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের তা পুনরায় দাখিল করতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। এর মধ্যেই প্রাক্তন এয়ার মার্শাল-সহ ৬ জন একই ইস্যুতে শনিবার এই পিটিশন দাখিল করেছেন।

কপিল কাক ও অন্যান্যদের করা আবেদনে বলা হয়েছে, যে শর্তে জম্মু ও কাশ্মীরকে অভিন্ন ভারতের অংশ করা হয় সেখানেই আঘাত করা হয়েছে। ওখানকার মানুষের কোনও মতামত নেওয়া হয়নি। এতে সংবিধানের অবমাননা হয়েছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর শনিবার থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে কাশ্মীর। ফোন, ইন্টারনেট চালু হচ্ছে। খুলছে দোকানপাট। সোমবার থেকে স্কুল ও কলেজ খুলবে বলে খবর। তারমাঝে এই সিদ্ধান্ত বেশ উদ্বেগজনক।