প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন এক কিশোরকে মারধরের অভিযোগ উঠল৷ ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার রামপুরহাটে৷ অভিযোগের তির এলাকারই এক দোকানদারের ​বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার করে ওই কিশোরকে। ঘটনার পর আটক করা হয় অভিযুক্ত দোকানদার মঙ্গল সানিকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে বীরভূমের রামপুরহাটের বাসিন্দা শুভঙ্কর দাস তাঁর মায়ের সঙ্গে ব্যাংকে এসেছিলেন। সে ব্যাংকের বাইরে একটি দোকানের পাশে বসে অপেক্ষা করছিল। ঠিক সেই সময় ওই দোকানদার মঙ্গল সাহানি তাঁকে চোর অপবাদ দিয়ে মারধর করতে শুরু করে বলে অভিযোগ৷ এই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে ছেলেকে উদ্ধার করেন ওই মহিলা৷ এলাকাবাসীরা জানায়, ওই কিশোর মানসিক ভারসাম্যহীন। ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। তাই রাস্তার পাশে তাকে বসিয়ে রেখে ব্যাংকে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ই তাঁর ছেলেকে মারধর করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেতেই পুলিশ এসে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে৷ সেই সঙ্গে অভিযুক্ত দোকানদারকেও আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে ওই কিশোরের মা বলেন, ‘‘আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন৷ সে কি করে চুরি করতে পারে? আমার স্বামী চাকরি করে৷ আমার আরেক ছেলেও চাকরি করে৷ টাকাপয়সার কোনও অভাব নেই। তাহলে কেন চুরি করতে যাবে আমার ছেলে?’’ যদিও পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছে ওই ব্যবসায়ী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।