তেহরান: ইসলাম সংস্করতির কথা বলে নীতি পুলিশের কবলে ইরানের রেস্তোরাঁ। বন্ধ করে দেওয়া হল ৫৪৭টি রেস্তারাঁ। পুলিশ প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে ইসলামি ঐতিহ্য না মানায় এই পদক্ষেপ।

ইরানের গাইডেন্স কোর্টের তরফেও পদক্ষেপ করা হয়েছে এই ধরণের রেস্তোরাঁ বন্ধ করার জন্য। কোর্টের তরফে বলা হয়েছে, অনেক ব্যক্তিই নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে পুলিশকে জানাতে চায। কিন্তু নির্দিষ্ট ফোন নম্বর বা পরিচয় গোপন রাখার ব্যস্থা না থাকায তা সম্ভব হয না। এই সুযোগে গড়ে উঠছে অশ্লীল সংস্কৃতির সব রেস্তারাঁ। এবার তাই নির্দিষ্ট নম্বরের উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশের তরফে। সেখানে নির্দিষ্ট অভিযোগ এলেই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

আরও পড়ুন: এই প্রথম দেশে দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আসছে ব্রেইলে বাংলা মানচিত্র

পুলিশের তরফে জানিযে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির মধ্যেও মেয়েরা হিজাব ব্যবহার ঠিক মতো করছে কিনা, সোশ্যাল মিডিযায অনৈতিক পোস্ট কেউ করেছে কিনা- এসবও অভিযোগ আকারে গ্রাহ্য হবে।

২০১২ সালেই ইরানের সরকার নির্দেশ দিযেছিল, রেস্তারাঁয় এমন কোনও আচরণ কেউ করতে পারবেন না যা ইসলামি সংস্কৃতির পরিপন্থী। নজরদারিতে রেস্তারাঁয় বসাতে হবে সিসিটিভি।
প্রতিবাদ জানিয়েছিল ইরানের রাজধানী তেহরানের বহু রেস্তারাঁ। সেখানে বিদেশের বহু পর্যটক আসেন। যারা নজরদারির সেই নিয়ম মেনে চলতে রাজি নয়। কিন্তু তাতে কান দেয়নি প্রশাসন সেই সময়ই বহু রেস্তারাঁ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: সন্দেশখালি: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে লকেটের নেতৃত্বে মহিলা মোর্চার মিছিল

সময়ের নিয়মে অবশ্য আবারও পশ্চিমি সভ্যতার অনুকরণে পাব খুলেছে। ক্রমশ রমরমা সেগুলির। সেখানে বাজচ্ছে তীর্ব স্বরে গান, বিক্রি হচ্ছে মদ। চলছে যুবক-যুবতীদের নাচ গান। ইরান প্রশাসনের মতে এগুলি ইসলামি আইন ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। যা তেহরান সহ গোটা দেশের পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই ওই ধরণের রেস্তারাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তরফে ব্যাখ্যা, ‘নেতিক অবক্ষয় হচ্ছে কিনা তা দেখাই আমাদের কাজ। এইসব রেস্তারাঁ সহ শালীনতা অতিক্রম করে গিয়েছিল। সেই জন্যই পদক্ষেপ করা হয়েছে।‘ আইন ভাঙার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে ১১ জনকে।