চণ্ডিগড়: অনেক মানুষ আছেন যারা ফিউশন খাবার ভালবাসেন। আবার অনেকে আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত খাবার তৈরি করতেও ভালবাসেন। বিভিন্ন ধরনের ফিউশন খাবার চেখে দেখাটাই নেশা অনেকের কাছে। এই ধরনের মানুষদের কাছে চণ্ডিগড়ের এক রেস্টুরেন্ট নিয়ে এসেছে এক নতুন ধরনের খাবার। খাদ্য রসিক মানুষদের জন্য তারা নিয়ে এসেছে ডাল মাখনি ক্যাপুচিনো।

এমনিতেই কফি প্রেমী মানুষদের কাছে ক্যাপুচিনো বরাবরের পছন্দের একটি খাবার। অনেকেই এই খাবারটি খেতে ভালবাসেন। হালকা স্ন্যাক্সের সঙ্গে গল্প করতে করতে ক্যাপুচিনো অনেকেই খেয়েছেন। তাদের জন্য নতুন জিনিস এসেছে। সংবাদ মাধ্যমের সামনে জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের শেফ আথার হুসেন সেকথাই জানিয়েছেন।

হুসেন দুবাই থেকে সদ্যই চণ্ডিগড়ে এসেছেন। ইনি মোগলাই এবং হায়দরাবাদি খাবারে পারদর্শী। তিনি জানিয়েছেন, চণ্ডিগড়ে কাজ শুরু করার আগে তিনি চাইছিলেন এমন কিছু রেসিপি মানুষদের জন্য আনতে যা খেয়ে চমকে যাবেন। যে রকম হায়দরাবাদি বিরিয়ানি বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। এটি বর্তমানে শুধুমাত্র খাবার নয় হায়দরাবাদের অন্যতম আকর্ষণের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ভাবে এই খাবার মানুষের সামনে পরিবেশন করা হয়ে থাকে। তবে অনেক খাবার প্রেমী মানুষেরা এখনও এই খাবারের একদম খাঁটি পদটি খেতে পছন্দ করেন। নিহারি বা গলৌটি কাবাব খাওয়ার খেত্রেও অনেকে পছন্দ করেন একদম খাঁটি পদটি খেতে কোন রকম ফিউশন ছাড়া। অনেকে ফিউশন বা বিভিন্ন পদের সঙ্গে মিশিয়ে। আর এই কারণেই তিনি খাদ্যপ্রেমিক মানুষদের জন্য নিয়ে এসেছেন এই নতুন পদ।

হুসেন খুব অল্প বয়স থেকেই মোগলাই রান্নার দিকে আকৃষ্ট হন তাঁর কাকাকে দেখে। তিনি ছিলেন এই রান্নাতে পারদর্শী। যখনই তাঁর কাকা তাদের কাছে ঝাড়খণ্ডে যেতেন হুসেন তাঁর থেকে রান্না শিখতেন। পরবর্তীকালে তিনিও হায়দরাবাদে কাজের সূত্রে যান এবং বিভিন্ন ধরনের রান্নায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন।

হায়দরাবাদের ডাল ই আব বেশ জনপ্রিয় একটি পদ। যা খাওয়ার জন্য অনেক খাদ্যপ্রেমী মানুষেরা অপেক্ষা করেন। তাছাড়াও এই রাজ্যর অন্যতম জনপ্রিয় পদ বুলেট নান। যা অনেকের পছন্দের তালিকাতেই জায়গা করে নিয়েছে। আর এই রেস্টুরেন্ট খাদ্য প্রেমী মানুষদের বিভিন্ন ধরনের খাবার উপহার দেওয়ার জন্য নিয়ে এসেছে এই পদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।