কলকাতা : নির্বাচন কমিশন নিজের মতো করে রাজ্য প্রশাসন সাজিয়ে নিয়েছিল। আদর্শ আচরণ বিধি জারি হলে এটাই হয়। তবে রাজ্যে ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের দায়িত্ব নিয়েছেন। আর এর পর থেকেই রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগে তিনি আবার রদবদল শুরু করেছেন। নিজের মতো করে সাজিয়ে নিচ্ছেন রাজ্যের পুলিশ ও সাধারণ প্রশাসন। এবার বদলানো হয়েছে বীরভূমের (Birbhum) জেলাশাসক এবং SDPO-কে। তেমনই রাজ্য পুলিশের আরও একাধিক পদে বদল আনা হয়েছে।

বুধবার নবান্ন সূত্রে জারি করা নির্দেশিকা জানানো হয়েছে, বীরভূমের জেলাশাসকের পদে ডিপি কারনামের জায়গায় আসতে চলেছেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এর আগে খাদ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব পদে ছিলেন। ডিপি কারনামকে করা হয়েছে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের অধিকর্তা। এছাড়া তিনি বিশ্ববাংলা কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের দায়িত্বও পেয়েছেন। শ্রী নিখিল নির্মলকে বস্ত্রদফতরের অধিকর্তা করা হয়েছে। এদিকে, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে করা হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব। অন্যদিকে, ধবল জৈনকে করা হয়েছে হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার। এছাড়া সরানো হয়েছে নদিয়ার জেলাশাসক পার্থ ঘোষকেও। তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ অ্যাগ্রি মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে আনা হয়েছে। এই পদে এতদিন ছিলেন ধবল জৈন।

এদিন রাজ্য পুলিশেও বড়সড় পরিবর্তন ঘটিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গের আইজিপি পদে থাকা বিশাল গর্গকে কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদে বসানো হয়েছে। দেবেন্দ্র প্রকাশ সিংকে উত্তরবঙ্গের আইজিপি পদে বসানো হয়েছে। প্রদীপ কুমার যাদবকে আনা হয়েছে এসপি-এসটিএফ পদে। শিলিগুড়ির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সব্যসাচী রমন মিশ্রকে ডিআইজি-সিআইএফ পদে আনা হয়েছে । এছাড়া শ্রীহরি পাণ্ডেকে আনা হয়েছে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের নর্থ জোনের ডিসি পদে। এছাড়া শ্রীমতি অঞ্জলি সিংকে পাঠানো হয়েছে এসএপি সেকেণ্ড ব্যাটেলিয়নের সিও পদে। সরানো হয়েছে বীরভূমের এসডিপিও-কেও। শ্রীমন্ত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের জায়গায় বীরভূম জেলার নতুন এসডিপিও করা হয়েছে অভিষেক রায়কে। শ্রীমন্ত কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়কে আসানসোল-দুর্গাপুরের এসিপি পদে আনা হয়েছে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.