ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সংরক্ষণের দাবিতে উত্তাল মহারাষ্ট্র৷ কিন্তু চাকরিতে সংরক্ষণ করলেই কি বেকারত্ব ঘুচবে? উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি৷ মন্ত্রীর অকপট স্বীকারোক্তি দেশে এত চাকরি নেই৷ তাই সংরক্ষণের দাবিতে চেঁচিয়ে বা বিক্ষোভ দেখিয়ে কোনও লাভ নেই৷

শনিবার কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী যা বললেন তাতে মোদী সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট৷ সংরক্ষণ সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘ধরে নেওয়া যাক সংরক্ষণের দাবি মেনে নেওয়া হল৷ কিন্তু চাকরি কই? ব্যাংকের চাকরিতে আইটিদেরই রমরমা৷ তাই সেখানে চাকরি সঙ্কুচিত হয়েছে৷ সরকারি চাকরিতে নিয়োগও সীমিত হয়ে পড়েছে৷ চাকরি কোথায়?’’

এখানেই থেমে থাকেননি প্রবীণ বিজেপি নেতা৷ জানান, এই ধরনের আন্দোলনের সঙ্গে রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকে৷ পিছিয়ে পড়াদের নিয়ে অযথা রাজনীতি করা হয়৷ সবাই নিজেদের ‘পিছড়েবর্গ’ বলে পরিচয় দিতে চায়৷ উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে ব্রাক্ষণরা শক্তিশালী৷ রাজনীতিতে তাদেরই রাজ৷ অথচ তারাই বলে বেড়াচ্ছে তারা পিছিয়ে পড়া জাতি৷ কিন্তু হিন্দু, মুসলিম, মারাঠা সব ধর্ম বা জাতির মধ্যে একটা বিশেষ অংশ সত্যিই পিছিয়ে৷ তাদের কাছে গায়ে পড়ার মতো কাপড় বা খেতে পাওয়ার মতো খাবার নেই৷

তিনি বলেন, ‘‘সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে যারা গরিব তাদের কথা ভাবতে হবে৷’’ মারাঠা সংরক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলিকেও সাবধান করে দিয়ে বলেন, ‘‘আগুনে ঘি ঢালবেন না৷’’