নয়াদিল্লিঃ  দেশজুড়ে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। যে কোনও মুহূর্তে কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের আশঙ্কায় ভুগতে পারে দেশের মানুষ। প্রবল আশঙ্কার মধ্যে সাধারণ মানুষ। শুধু ভারতই নয়, গোটা বিশ্বের মানুষ এখন করোনায় আতঙ্কিত। আর এই ভয়ঙ্কর মারণ রোগ থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রতিষেধক আবিষ্কারের কাজ চলছে।

বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও চলছে সেই ওষুধ তৈরির কাজ। এই পরিস্থিতিতে স্বস্তির কথা শোনাল ভারতে প্রতিষেধক আবিষ্কারের গবেষণা সঠিক দিশায় এগিয়ে চলেছে বলে আশ্বাস দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আর এরপরেই আশার বুক বেঁধেছে আপমর ভারতবাসী। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব জানিয়েছেন, আক্রান্তদের ‘কনট্যাক্ট ট্রেসিং’ ও ‘ক্লাসটার কনটেনমেন্ট’ করে সংক্রমণ আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

কোনও আক্রান্তের খোঁজ মিললেই বিষয়টি ঝাঁপিয়ে পড়া হচ্ছে। প্রথমে ‘ক্লাসটার কনটেনমেন্ট’ পদ্ধতিতে কারা কারা করোনায় আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন তা খুঁজে বার করা হচ্ছে। তারপর সেই সম্ভাব্য তালিকার মানুষদের উপর নজর রাখা হয়। এভাবেই চলছে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই। যাতে কোনওভাবেই কমিউনিটি সংক্রমণ না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে এই কাজ।

অন্যদিকে, জানা গিয়েছে এই কাজ করতে গিয়ে যাতে কর্মীদের মধ্যে করোনার ভাইরাস না ছড়িয়ে পড়ে সেজন্যে বিশেষ চিন্তিত সরকার। আর সেজন্যে বিদেশ মন্ত্রক দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও তুরস্কের মতো কয়েকটি দেশের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলছে বলে জানা গিয়েছে।

ওই সাংবাদিক বৈঠকে আইসিএমআরের তরফে জানানো হয়, তারা ডিপার্টমেন্ট অফ বায়ো টেকনোলজি ও CSIR এর সঙ্গে কোভিড ১৯ এর প্রতিষেধক তৈরির কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই আশার আলো দেখা যাবে। এহেন মন্তব্যের পরেই আশার আলো দেখছেন ভারতবাসী।