স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া, তমলুক ও জলপাইগুড়ি : সারা দেশ ও রাজ্যের সঙ্গে বাঁকুড়া জেলা জুড়েও সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস৷

জেলার মূল অনুষ্ঠানটি হয় বাঁকুড়া স্টেডিয়ামে। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জেলাশাসক অরুণ প্রসাদ আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ ও জাতীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও সহ অন্যান্য জেলা শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা।

এদিনের কুচকাওয়াজে জেলা পুলিশের বিভিন্ন দফতরের কর্মীরা ছাড়াও স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সদৃশ্য ট্যাবলো পুরো মাঠ পরিক্রমা করে। পরে বর্ণময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়। এছাড়াও এদিন বিষ্ণুপুর, খাতড়া মহকুমাশাসক ও মহকুমা পুলিশের দফতরের উদ্যোগেও দিনটি পালিত হয়।

অন্যদিকে করোনা আবহে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ছাড়াই প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হল পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। তমলুকের রাখাল মেমোরিয়াল ফুটবল স্টেডিয়াম এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শাসক বিভু গোয়েল। উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার প্রবীন প্রকাশ সহ প্রশাসনিক আধিকারিক বৃন্দরা। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরে জেলা শাসক ও জেলা পুলিশ সুপার প্লাটুন পরিদর্শন করেন। সুসজ্জিত ট্যাবলো পরিদর্শন করে মাঠ। যার মধ্যে স্বাস্থ্য সাথী, কন্যাশ্রী,খাদ্যসাথী সহ একাধিক রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ট্যাবলো চোখে পড়ার মতো। যদিও অতিমারী করোনার কারণে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের বাদ দেওয়া হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান থেকে।

দক্ষিণ বঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ জুড়েও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবস। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার জপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে জলপাইগুড়ির টাউন ক্লাব ময়দানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা করেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু। উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিস ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। কুচকাওয়াজ সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কুচকাওয়াজে অংশ নেওয়া পুলিস অফিসারদের অভিবাদন গ্রহন করেন জেলাশাসক। অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খোলা আকাশে রঙিন বেলুন উড়িয়ে দেন তাঁরা। এরপর ছিল শহরের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।