বারুইপুর: প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটির দুপুরে বারুইপুরে জমজমাট ছিল ‘আঁকার মেলা’। বারুইপুর দত্তপাড়া শ্যামা পূজা ট্রাস্ট-এর পরিচালনায় এই বিরাট প্রতিযোগিতার আয়োজন। স্থানীয় এলাকা তো বটেই রবিবারের দুপুরে বারুইপুরের দত্তপাড়ার মাঠে প্রায় পাঁচশো কচিকাঁচার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বারুইপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশুরা এসে যোগ দিয়েছিল এই অঙ্কন প্রতিযোগিতায়। বাবা-মা-দাদু-দিদার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা এসে পৌঁছেছিল প্রতিযোগিতাস্থলে। তারপর ঘণ্টাখানেকের প্রতিযোগিতা শেষে বাড়ির পথ ধরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও বারুইপুরের দত্তপাড়ায় শিশুদের নিয়ে অঙ্কন প্রতিযোগিতার আসর বসেছিল। প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে শুরু থেকেই আয়োজক সংস্থার সদস্যদের তুমুল ব্যস্ততা। রবিবার সকালে প্রথমে ছিল ডেঙ্গি নিয়ে একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান। কীভাবে মারণ এই রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব, কীভাবেই বা ডেঙ্গির মশার জন্ম রোধ সম্ভব তা নিয়েই চলে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান। বছরভর এলাকার নানা সামাজিক কাজে যুক্ত থাকা বারুইপুর দত্তপাড়ার এই সংগঠন এবারও এলাকার দুঃস্থদের কথা মাথায় রেখে অনন্য একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

সকাল থেকেই বারুইপুর দত্তপাড়ার দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে চলে মশারি ও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান। প্রায় সাড়ে তিনশোজ দুঃস্থ ও গরিব মানুষকে মশারি ও কম্বল বিলি করা হয়। বারুইপুর দত্তপাড়া শ্যামা পূজা ট্রাস্টের অনন্য একাধিক এই উদ্যোগের পাশে দাঁড়িয়েছিল রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাঙ্ক। ওই ব্যাঙ্কের তরফে অনুষ্ঠান দেখতে আসা বা এলাকায় উপস্থিত অনেকেরই জিরো ব্যালান্সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

রবিবার সকালে বারুইপুর দত্তপাড়া দুর্গাপুজো প্রাঙ্গণে শ্যামা পুজা ট্রাস্টের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বহু বিশিষ্ট মানুষজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর হাসপাতালের চিকিৎসক শ্যামল চক্রবর্তী ও বান্টি চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী চন্দ্রশেখর, স্বামী অভেদানন্দ গিরি মহারাজ ও এলাকার কাউন্সিলর প্রীতম দাস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ