ছবি: মৃন্ময় বসাক

কৌশিক চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ:  প্রজাতন্ত্র দিবসে এবার নজির গড়ল  উওর দিনাজপুরের হেমতাবাদ মনিং ক্লাব। মঙ্গলবার হেমতাবাদের এক দল প্রাতঃ ভ্রমণকারীদের উদ্যোগে ও হেমতাবাদ থানার সহযোগীতায় যথাযোগ্য মর্যাদার পালিত হল ৬৭ তম প্রজাতন্ত্র দিবস। সমগ্র জেলার মধ্যে এই প্রথম  একটি সংগঠনের উদ্যোগে পালিত হল প্রজাতন্ত্র দিবস৷ প্রজাতন্ত্রের দিবস উদযাপনে নিজেদের ঘাড়ে দায়িত্ব তুলে নিলেন সংস্থার সদস্যরা। 

হেমতাবাদ থানা সংলগ্ন মাঠে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেল স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও। উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম সাধন দে সরকার জানালেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষদের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ দেখার সুযোগ হয়ে ওঠেনা। আর সেই কারণে মর্নিং-ক্লাবের সদস্যদের এই প্রয়াস। এই অনুষ্ঠানকে যথাযথ মর্যাদার সাথে পালনের উদেশ্যে  প্রায় একমাস ধরে হেমতাবাদ ব্লকের বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির ছাত্রছাত্রীরাও  কুচকাওয়াজ ও নানারকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। 

এদিন  জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হেমতাবাদের যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অমিত কুমার মণ্ডল। উপস্থিত ছিলেন হেমতাবাদ থানার আইসি মনজিত দাস এবং ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক  মৃগাঙ্ক বিশ্বাস। শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজে  অভিনন্দন গ্রহণ করেন হেমতাবাদের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং উপস্থিত বিশিষ্ঠ জনেরা।  রঙবেরঙের ট্যাবলো এদিন উপস্থিত এলাকাবাসীদের সামনে গোটা মাঠ পরিক্রমা করে। বাঙালবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের বৃত্তিমূলক বিভাগের ছাত্র ছাত্রীদের ট্যাবলো এদিন জনসাধারণের নজর কারে। বাঙালবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের বৃত্তিমূলক বিভাগের শিক্ষক গৌতম কুমার রায় জানালেন,  কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহারের শিক্ষার  মাধ্যমে বিদ্যালয় গুলিতে কিভাবে হাতে কলমে কাজ শিখিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের স্বনির্ভর করে তোলা হচ্ছে, তার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস তুলে ধরা হলো। 

 

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও