নয়াদিল্লি : প্রতি বছর যে চেনা ছবি ২৬শে জানুয়ারি দিল্লির রাজপথে দেখা যায়, এবার সেই ছবি থাকবে না। প্রজাতন্ত্র দিবসে উপস্থিত থাকবেন না কোনও বিশিষ্ট অতিথি। প্রধান বিদেশি অতিথি ছাড়াই দেশ পালন করবে ২০২১ সালের প্রজাতন্ত্র দিবস। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা থাকবে, বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলো থাকবে। থাকবেন দেশের নেতা মন্ত্রী ও সাধারণ মানুষও। কিন্তু বিদেশি অতিথি অভ্যাগতদের দেখা যাবে না এই বছর। সৌজন্যে করোনা সংক্রমণ।

১৯৫০ সাল থেকে শুরু করে ২০২০ সাল পর্যন্ত বহু বিদেশি ব্যক্তিত্বকে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলংকৃত করতে দেখা গিয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যে দেশের অতিথিরা আসেন, সেই রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে এই অনুষ্ঠান। ২০১৫ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ২০১৮ সালে ইতিহাস তৈরি করে আশিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত সব দেশ থেকেই অতিথিরা এসেছিলেন।

কথা ছিল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ বছর ২৬ জানুয়ারি রাজপথে উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন প্রভাব ফেলেছে ব্রিটেনে। ফলে ক্রমশই বাড়ছে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে বরিস জনসন ভারতে আসতে চাননি। সংক্রমণ এড়াতে ও দেশের মানুষের পাশে থাকতে তিনি ভারত সফর বাতিল করেন। কিন্তু যতদিনে তিনি সেকথা জানান তখন আর অন্য নিমন্ত্রণপত্র পাঠানোর সময় ছিল না। ফলে এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে কোনও প্রধান অতিথি আসছেন না।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ১৯৫০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কারা কারা প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেছেন।

১৯৫০ – সুকর্ণ (ইন্দোনেশিয়া)
১৯৫১ -রাজা ত্রিভুবন বীর বিক্রম সিং (নেপাল)
১৯৫২- কোনও অতিথি নেই
১৯৫৩- কোনও অতিথি নেই
১৯৫৪- রাজা জিগমে দোরজি ওয়াংচুক (ভুটান)
১৯৫৫- মালিক গুলাম মহম্মদ (পাকিস্তান)
১৯৫৬- চ্যান্সেলর অফ দ্যা এক্সচেকার আর এ বাটলার (ব্রিটেন), চিফ জাস্টিস কোটারো তানাকা (জাপান)
১৯৫৭- মিনিস্টার অফ ডিফেন্স জর্জি জুকোভ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
১৯৫৮- মার্শাল ইয়ে জিয়াংইং (চিন)
১৯৫৯- ডিউক অফ এডিনবার্গ প্রিন্স ফিলিপ
১৯৬০- ক্লিমেন্ট বোরোশিলোব (ইউএসএসআর)
১৯৬১- কুইন এলিজাবেথ II
১৯৬২- ভিগো কাম্পমান (ডেনমার্ক)
১৯৬৩- কিং নোরোডোম সিনাউক (কম্বোডিয়া)
১৯৬৪- চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ লর্ড লুইস মাউন্টব্যাটেন (ইউকে)
১৯৬৫- রাণা আবদুল হামিদ (পাকিস্তান)
১৯৬৬- কোনও অতিথি নেই
১৯৬৭- কিং মহম্মদ জাহির শাহ (আফগানিস্তান)
১৯৬৮- অ্যালেক্সি কোয়েসিজিন (ইউএসএসআর), জোসিপ ব্রোজ টিটো (ইয়ুগোশ্লাভিয়া)
১৯৬৯- টোডর জিকোভ (বুলগেরিয়া)
১৯৭০- কিং বাউদৌন (বেলজিয়াম)
১৯৭১- জুলিয়াস নাইএরএরে
১৯৭২- সিইউসাগুর রামগোলাম (মরিশাস)
১৯৭৩- মোবুটু সেসে সেকো (জাইরে)
১৯৭৪- জোসিপ ব্রোজ টিটো (ইয়ুগোশ্লাভিয়া), সিরিমাভো রাতওয়াত্তে ডিয়াস বন্দরানায়েকা (শ্রীলঙ্কা)
১৯৭৫- কেনেথ কাউনডা (জাম্বিয়া)
১৯৭৬- জ্যাকেস চিরাক (ফ্রান্স)
১৯৭৭- এডওয়ার্ড গিয়েরেক (পোল্যান্ড)
১৯৭৮- প্যাট্রিক হিলারি (আয়ারল্যান্ড)
১৯৭৯- ম্যালকম ফ্রাসার (অস্ট্রেলিয়া)
১৯৮০- ভালেরি গিসকার্ড দ্য’এস্টাইং (ফ্রান্স)
১৯৮১- জোসে লোপেজ পোর্টিলো (মেক্সিকো)
১৯৮২- কিং জুয়ান কার্লোস I (স্পেন)
১৯৮৩ শেহু শাগারি (নাইজেরিয়া)
১৯৮৪- রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুক (ভুটান)
১৯৮৫- রাউল আলফোনসিন (আর্জেন্টিনা)
১৯৮৬-অ্যান্ড্রেস পাপানড্রিউ (গ্রিস)
১৯৮৭- এলেন গার্সিয়া (পেরু)
১৯৮৮- জুনিয়াস জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা)
১৯৮৯- নিউয়েন ভান লিন (ভিয়েতনাম)
১৯৯০- অ্যানেরোড জুগনাউথ (মরিশাস)
১৯৯১- মাউমুন আবদুল গায়ুম (মালদ্বীপ)
১৯৯২- মারিও সোয়ারেস (পর্তুগাল)
১৯৯৩-জন মেজর (ইউকে)
১৯৯৪- গো চক টং (সিঙ্গাপুর)
১৯৯৫- নেলসন ম্যান্ডেলা (দক্ষিণ আফ্রিকা)
১৯৯৬- ডঃ ফার্নান্দো হেনরিক কারডোসো (ব্রাজিল)
১৯৯৭- বাসদেও পান্ডে (ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো)
১৯৯৮- জ্যাকেস চিরাক (ফ্রান্স)
১৯৯৯- রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব (নেপাল)
২০০০- ওলেসেগান ওবাসানজো (নাইজেরিয়া)
২০০১- আবদেলাজিজ বৌটেফ্লিকা (আলজেরিয়া)
২০০২- কাসাম উটিম (মরিশাস)
২০০৩- মহম্মদ খাতামি (ইরান)
২০০৪- লুই ইনাসিও লুলা দ্যা সিলভা (ব্রাজিল)
২০০৫- রাজা জিগমে সিংঘে ওয়াংচুক (ভুটান)
২০০৬- কিং আবদুল্লা বিন আবদুলাজিজ অল সৌদ (সৌদি আরব)
২০০৭- ভ্লাদিমির পুতিন(রাশিয়া)
২০০৮- নিকোলাস সারকোজি (ফ্রান্স)
২০০৯- নুরসুলতান নজরবাইজেভ (কাজাখস্তান)
২০১০- লি মিয়াং বাক (দক্ষিণ কোরিয়া)
২০১১- সুসিলো বামব্যাং ইয়ুধোনো (ইন্দোনেশিয়া)
২০১২- ইয়ুংলাক সিনিওয়াত্রা (থাইল্যান্ড)
২০১৩- রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক (ভুটান)
২০১৪- শিনজো আবে (জাপান)
২০১৫- বারাক ওবামা (আমেরিকা)
২০১৬- ফ্রাঙ্কো হল্যান্দ (ফ্রান্স)
২০১৭- ক্রাউন প্রিন্স শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ (ইউএই)
২০১৮- সুলতান হাসানেল বোলকিয়া (ব্রুনেই), জোকো উইডোডো (ইন্দোনেশিয়া), থংগ্লুং সিসোলিথ (লাওস), হুন সেন (কম্বোডিয়া), লাজিব রাজাক (মালয়েশিয়া), হটিন কাউ (মায়ানমার), রডরিগো রুয়া দুতার্তে (ফিলিপিনস, হালিমাহ ইয়াকোব (সিঙ্গাপুর)), প্রায়ুথ টান ওচা (থাইল্যান্ড), নগুয়েন জুয়ান ফুক (ভিয়েতনাম)
২০১৯- সিরিল রামপোসা (দক্ষিণ আফ্রিকা)
২০২০-জায়ের বোলসোনারো (ব্রাজিল)
২০২১- কোনও অতিথি নেই

Republic day 2021 celebration,  Republic day, guest list of last few years, Mammoth parade of republic day, Dignitaries of republic day

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।