নয়াদিল্লি: গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলার পর তার জবাব এয়ারস্ট্রাইকে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা৷ ভারতের প্রত্যাঘাতে চাপে পড়ে তার জবাব দিতে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পাক বিমান ঢুকে পড়ে৷

কিন্তু ব্যর্থ হয়ে যায় পাকিস্তানের সেই পরিকল্পনা৷ পাক বিমান থেকে গুজরাত এবং বিকানেরে পাক ড্রোনের প্রবেশ হলেও, তাও গুলি করে নামায় ভারত৷ বারবার ব্যর্থ হয়েও পাকিস্তান যে হাল চাড়বে না, তা প্রমাণ দিচ্ছে তার সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ৷ স্থল, আকাশের পর এবার জলপথকে হাতিয়ার করে হামলার ছক কষতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷

মঙ্গলবার ভারতের নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল সুনীল লান্বা সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, জলপথকে হাতিয়ার করে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা, আর এজন্য তাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে৷ তবে ভারতও যে প্রস্তুত সে কথা আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিন সেনাপ্রধান৷

পাকিস্তান যে এত সহজে হাল ছাড়বে না, প্রাক্তন আর্মি ক্যাপ্টেন এবং পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের কথাতেও তেমনই আভাস পাওয়া গিয়েছে৷ তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান যদি মনে করে সে ভারতের কাছে হেরে যাচ্ছে তাহলে সে তার পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না৷

সোমবার ফের একবার আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতে একটি পাক ড্রোন ঢুকে পড়ে বলে জানা যায়৷ যা নজরে আসা মাত্র মিসাইল ছুঁড়ে নামায় ভারত৷ সোমবার সকালেই বিকানির সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও