নয়াদিল্লি: ভারতীয়রা বরাবরই আরাম প্রিয়৷ আর, সেই আরামের জন্যই কত কী ব্যবস্থা৷ ফ্রিজ থেকে শুরু করে এয়ার কন্ডিশনার (এসি)৷ সবটাই রয়েছে লিস্টে৷ কিন্তু, এই আরামের সরঞ্জামই ডেকে আনছে বিপদ৷ বাড়াচ্ছে বিশ্ব উষ্ণায়ণকে৷ যার কবল থেকে বাদ থাকবে না কেউই৷ বিশ্ব উষ্ণায়ণ বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য বহু বার গবেষণা হয়েছে৷ সামনে এসেছে একাধিক কারণ৷ আর, সেভাবেই গবেষণায় থেকে উঠে এল আরও এক তথ্য৷

গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট এয়ার কন্ডিশনিং ইউনিটের এক চতুর্থাংশের ব্যবহার হবে ভারতে৷ যার থেকে স্বাভাবিক আবহাওয়ায় পরিবর্তন দেখা দিতে পারে৷ ইউজার চাইলেই ঘর কিংবা কাজের জায়গার পরিবেশে মনের মত টেমপারেচার সেট করতে পারেন এই যন্ত্রাংশের মাধ্যমে৷ কিন্তু, জানেন কী এই এসিই গ্লোবাল টেমপারেচারকে বাড়াতে পারে ০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত৷ যা অবশ্যই চিন্তার কারণ৷

আরও উন্নতমানের কুলিং টেকনোলজি গড়ে তোলার জন্য ভারতের বিভিন্ন বিভাগ যুক্ত হয়েছে বিদেশি সংস্থাগুলির সঙ্গে৷ এছাড়া, খোঁজা হচ্ছে অন্যান্য সমাধানও৷ যার মাধ্যমে বিশ্ব উষ্ঞায়নকে খানিক কমানো সম্ভব হবে৷ এছাড়া, গ্লোবাল ওয়ার্মিং ঠেকাতে ১০৭ টি দেশের সঙ্গেও বিশেষ চুক্তি সাক্ষর করেছে ভারত৷ সাধারণত বাড়িতে এবং গাড়িতে ব্যবহৃত এয়ার কন্ডিশনারগুলিতে প্রচুর পরিমানে ব্যবহার হয় হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (এইচএফসি)৷

গ্লোবাল ওয়ার্মিংকে বাড়িয়ে তোলার জন্য অনেকাংশে দায়ী এই এইচএফসি গ্যাস৷ তবে, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাব থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসেছে বেশ কিছু দেশ৷ যার মধ্যে ভারত, চিন, ইউনাইটেড স্টেট এবং ইওরোপ অন্যতম৷ যারা ২০৪৫ সালের মধ্যে এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে নিয়ে আসবে, এমনই জানা গিয়েছে৷ কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘গ্লোবাল চ্যালেঞ্জটির মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি তৈরি করার জন্য আমি উদ্ভাবনকারীদের অনুরোধ জানাচ্ছি৷ যার মাধ্যমে বিশ্ববাসী উপকৃত হবে৷’