নয়াদিল্লি: শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাংক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জানিয়ে দিল রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে। মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক শেষে এদিন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন, আপাতত রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে ৪ শতাংশ এবং রিভার্স রেপো রেট থাকছে ৩.৫ শতাংশে।রেপো রেট হল যে হারে রিজার্ভ ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকে ঋণ দেয় এবং রিভার্স রেপো রেট হল যে হারে অন্যান্য ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয়।

করোনার সঙ্গে যুদ্ধে একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ভারতের অর্থনীতি বলে মনে করছেন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর। প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক সংকোচন পিছনে ফেলে আসা হয়েছে এখন বরং রুপোলী প্রলেপ দেখা যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

নজর দেওয়া হয়েছে সংযত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর দিকে। চতুর্থ ত্রৈমাসিকে মুদ্রাস্ফীতি অবস্থা সহজ হবে এবং জিডিপি সংকোচন থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন তিনি।যার জন্য তথ্য জানাচ্ছে চলতি আর্থিক বছরে (২০২০-২১ সালে) জিডিপি সংকোচন আশা করা হচ্ছে ৯.৫ শতাংশে থাকবে।

প্রসঙ্গত ২৯ সেপ্টেম্বর হঠাৎ স্থগিত হয়ে গিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংকের পূর্বনর্ধারিত মনিটরি পলিসি কমিটির বৈঠক।
২০১৬ সাল থেকে সুদের হার নির্ধারণের ব্যাপারে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার বদলে ছয় সদস্যের মনিটারি পলিসি কমিটির উপর ভার দেওয়া হয়। এই ছয় সদস্যের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর সহ ভিতরের তিনজন থাকেন এবং বাকি তিনজন বাইরে থেকে আসা প্রতিনিধি।

এতদিন বাইরের প্রতিনিধিরা ছিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক চেতন ঘাটে, দিল্লি স্কুল অফ ইকনোমিকসের ডিরেক্টর পামি দুয়া এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদের অধ্যাপক রবীন্দ্র ঢোলাকিয়াকে। সেপ্টেম্বর মাসে এদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বৈঠক ঘিরে জটিলতা দেখা দেয়। এদিকে এই বৈঠক স্থগিত হয়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখেে পড়তে হয় কেন্দ্রকে।

এরপর গত সোমবার কেন্দ্রীয় সরকার রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির তিন বাইরের প্রতিনিধিকে নিয়োগ করে। সরকার মনোনীত তিনজন হচ্ছেন ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ ডেভলপমেন্ট রিসার্চের অধ্যাপক অসীমা গয়াল, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আমেদাবাদের অধ্যাপক জয়ন্ত আর ভর্মা এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ অ্যাপ্লাইড ইকনোমিকসের সিনিয়র অ্যাডভাইজার শশাঙ্ক ভিদে।

এরা যুক্ত হন কমিটির অপর তিন সদস্য রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস, ডেপুটি গভর্নর মাইকেল পাত্র এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মৃদুল সাগরের সঙ্গে। তার পরে বুধবার ৭অক্টোবর থেকে বসে এই কমিটির বৈঠক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I