নয়াদিল্লি: অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পর রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হচ্ছে অযোধ্যায়৷ বর্তমানে এই রাম মন্দির উত্তরপ্রদেশের গর্ব৷ আর সেই কারণেই প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোতে থাকছে রাম মন্দিরের রেপ্লিকার একটি ট্যাবলো৷ এছাড়া রামায়ণের বিভিন্ন ঘটনাও তুলে ধরা হবে৷ এছাড়া দীপোৎসব সহ বিভিন্ন ঘটনাও তুলে ধরা হবে ট্যাবলোর মাধ্যমে৷ ২৬ জানুয়ারি রাজপথে এই ট্যাবলো অংশ নেবে৷

মূল ট্যাবলোর সম্মুখভাগে থাকবে মহর্ষি বাল্মীকির একটি মডেল৷ তার পিছনে থাকবে রাম মন্দিরের রেপ্লিকা৷ উত্তরপ্রদেশ সরকারের এক অফিসার জানিয়েছেন, “অযোধ্যা পবিত্র জায়গা৷ আর রাম মন্দির অন্যতম আবেগপ্রবণ ইস্যু৷ আমাদের ট্যাবলো শহরের ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে৷ এই ঐতিহ্যকেই গোটা দেশের মানুষ শ্রদ্ধা করে৷” শিল্পীদের একটি গ্রুপও থাকবে ট্যাবলোতে৷ তাঁদের মধ্যে ২ জন মহিলা ডান্সার থাকবেন৷ এছাড়া একজনকে রামের মতো সাজানো হবে৷ তিনিও ট্যবলোয় থাকবেন বলে জানিয়েছেন ওই অফিসার৷

দেশের ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ট্যাবলো অংশ নেবে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে৷ শুক্রবার দিল্লি সেনানিবাসের প্রজাতন্ত্র দিবসের সাংস্কৃতিক শিবিরে একটি মিডিয়া প্রিভিউ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামের চরিত্রাভিনেতা অজয় কুমার৷ হলুদ সিল্কের ধুতি এবং রুদ্রাক্ষের মালা পরেছিলেন তিনি৷ তাঁর হাতে ছিল ধনুক৷ অজয় ​​কুমার বলেন, “অযোধ্যা এবং তার ঐতিহ্য আমাদের ট্যাবলোতে প্রদর্শিত হবে। ব্যাপারটি নিয়ে আমি খুব আনন্দিত এবং খুশি৷ আমাকে আমাদের প্রিয় প্রভু রামের ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য ডাকা হয়েছে৷ দিল্লির রাজপথে অযোধ্যার ঐতিহ্য দেখার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি৷”

অযোধ্যার দীপোৎসব উদযাপিত হয় মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে৷ ট্যাবলোর একপাশে এই উৎসবের কথাও চিত্রিত করা হয়েছে৷ এছাড়া ভগবান রামের নিশাদরাজকে আলিঙ্গন, অহল্যাকে রক্ষা, ভগবান হনুমানের সঞ্জীবনীকে নিয়ে আসা, জটায়ু-রামের গল্প ইত্যাদি অনেক কিছুই চিত্রায়িত হয়েছে ট্যাবলোয়৷ ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এক শতাব্দীরও বেশি সময় পরে রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিষয়টি নিষ্পত্তি করে৷ অযোধ্যার ওই বিতর্কিত স্থানে রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত৷ এছাড়া এই পবিত্র নগরে একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি দেওয়ার কথাও বলে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত বছর আগস্ট মাসে অযোধ্যাতে রাম মন্দিরের ‘ভূমি পুজো’ করেছিলেন। ২০২৩ সালের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.