স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে ডানলপ ব্রিজের সংস্কারের কাজ৷ এই সংস্কারের কাজের ফলে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ব্রিজ বলে জানানো হয়েছে৷ উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতার সঙ্গে সংযোগকারী এই ডানলপ ব্রিজ সংস্কারের পরেও প্রয়োজনে ব্রিজটি অতিরিক্ত কিছুদিন পর্যবেক্ষনে রাখা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে৷

গত রবিবার থেকে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কলকাতা মুখি ডানলপ ব্রিজ। সংস্কারের জন্য ব্রিজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে প্রাথমিকভাবে ১৫ দিন ব্রিজ সংস্কারের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে কাজের গতি প্রকৃতির উপর নির্ভর করে ব্রিজ বন্ধ রাখার সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে৷

কয়েকদিন আগে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছিল এই ডানলপ ব্রিজের সংস্কার করা হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংস্কারের কাজ চলবে এবং বন্ধ থাকবে সেতু। এমনটাই জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল।

সেতু সংস্কারের জন্য পুরোপুরি এই ব্রিজের উপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে । ফলে আর কোন ধরনের যানবাহন ব্রিজের উপর উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। যে কোনও ধরনের যানবাহনের ব্রিজে ওঠার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকেও। নিয়ম বহির্ভূতভাবে যাতে যান চলাচল না করতে পারে তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ডানলপ মোড় এলাকায়।

কয়েক মাস আগে এই সেতুর একটা অংশে সামান্য ফাটল দেখা গিয়েছিল । তারপর থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভারী যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল সেতুর উপর দিয়ে। জানা গিয়েছে, একেবারে পুরোপুরি সংস্কার করেই জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হবে ডানলপ ব্রিজটি। বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং বম্বে রোডের দিক থেকে কলকাতায় আসার জন্য ডানলপ ব্রিজের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে ব্যারাকপুর ও দক্ষিণেশ্বরের দিক থেকেও কলকাতায় আসার জন্য অনেকেই ডানলপ ব্রিজ ব্যবহার করেন।

ফলে এই ব্রিজের যান যান চলাচল এবং পণ্য বহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই কারণে যাতে কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্যই সেতু বন্ধ রেখে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে । এ বিষয়ে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথাযথ ট্রাফিক ব্যবস্থা মোতায়েন রাখা হয়েছে ডানলপ মোড়ে । যতদিন সংস্কারে কাজ চলবে, ততদিন পর্যন্ত ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ট্রাফিক বিভাগ যান নিয়ন্ত্রণ করবে।