বেজিং: করোনা থেকে সবেমাত্র ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে চিন, যদিও নতুন করে সে দেশে আবার বেশ কয়েকজনের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে, তবুও করোনার প্রথম ধাক্কাটা বেশ ভালোই সামলেছে এশিয়ার অন্যতম শক্তি। এরই মধ্যে চিনের জন্য খারাপ খবর, চিন থেকে ব্যবসা গোটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফরাসী গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি রেনল্ট।

যখন সারা বিশ্ব করোনায় আক্রান্ত, এমন সময়ে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। জানা যাচ্ছে, চিনে রেনল্ট কোম্পানি আর প্যাসেঞ্জার গাড়ি বিক্রি করবে না, তবে বাণিজ্যিক যানবাহন এবং বৈদ্যুতিক যানবাহন বিক্রি চালিয়ে যাবে এই কোম্পানি।

প্রকৃতপক্ষে রেনল্ট যৌথ উদ্যোগে চিনে ব্যবসা করত। তাঁদের ব্যবসার অংশীদার ছিল ডংফেং মোটর কর্পোরেশন। এখন যেহেতু রেনল্ট দেশ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই জানা গিয়েছে, রেনল্ট তাঁর ভাগের অংশ ডংফেং মোটর কর্পোরেশনকে বিক্রি করে দিচ্ছে।

একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, “আইসিই যাত্রীবাহী গাড়ির ব্যাপারে গ্রুপ রেনাল্ট ডংফেং মোটর কর্পোরেশনের সাথে প্রাথমিক চুক্তি করেছে। যাতে বলা হয়েছে, রেনল্ট তার শেয়ার তুলে দেবে ডংফেং মোটর কর্পোরেশনের হাতে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, DRAC রেনল্ট ব্র্যান্ড সম্পর্কিত যাবতীয় কাজকর্ম বন্ধ করবে বলে জানানো হয়েছে। আপাতত জানা গিয়েছে, রেনল্ট তার ৩ লক্ষ গ্রাহককে ডিলার ও অ্যালায়েন্সের সিএনজির মাধ্যমেও উচ্চমানের আফটারসেল পরিষেবা সরবরাহ করতে থাকবে।

উল্লেখ্য বিষয় হল, করোনার জেরে অটোমেটিভ শিল্প বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছে। অনেকেই বলছেন, যে এমন পরিস্থিতি তাঁরা আগে কখনও দেখেননি। এমতাবস্থায় বহু কোম্পানির মধ্যেই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, একসঙ্গে কাজ করার। কারণ মনে করা হচ্ছে, লকডাউনের দীর্ঘদিনের বিরতি অটোমেকারদের পাশাপাশি সাধারণভাবে শিল্পকেও মারাত্মক ক্ষতি করবে। তবে একটা কথা স্পষ্ট, বৈদ্যুতিক যানবাহনের সঙ্গে চিনে কাজ চালিয়ে যাবে এই কোম্পানিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.