নয়াদিল্লি : নথি সরিয়ে ফেলে লাভ নেই। এইভাবে সত্যিকে লুকোনো যায় না। সীমান্তে চিনা সেনার ভারতীয় ভূখণ্ড দখলকে কেন্দ্র করে আক্রমণাত্মক কংগ্রেস। কেন্দ্রের মোদী সরকারকে নিশানা করে তাঁদের বক্তব্য সত্য গোপন করতে চাইছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এর আগেও নরেন্দ্র মোদীকে আক্রমণ করে জানিয়ে ছিলেন চিনা সেনার এলাকা দখল নিয়ে অসত্য তথ্য সামনে আনা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্ট সামনে রেখে মোদীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে ছিলেন তিনি। ফের বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ইস্যুতে মোদী সরকারের স্বচ্ছতা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাহুলের বক্তব্য চিনা সেনার দখলদারীর মোকাবিলা করতে না পেরে মিথ্যা বলা হচ্ছে। মুখোমুখি দাঁড়াবার সাহস নেই নরেন্দ্র মোদীর।

এরপরেই রাহুল গান্ধী বলেন নথি মুছে ফেলে বাস্তবকে অস্বীকার করা যায় না। নিজেদের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে সত্য গোপন করছে মোদী সরকার। একই ভাবে সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেস মুখপাত্র অজয় মাকেন। তিনি বলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক যদি নথি লুকিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আড়াল করে বাঁচাতে চায়, তবে তাতে লাভ নেই। সেই নথি সবাই দেখেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক কেন সত্য গোপন করতে চাইচে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অজয় মাকেন বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন কোনও বহিরাগত প্রবেশ ঘটেনি ভারতীয় ভূখন্ডে, কোনও শক্তি দেশের মাটিতে দখলদারি চালায়নি। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্ট ঠিক তার উল্টো কথা বলছে। এখন সেই নথিই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পরিষ্কার যে কে মিথ্যা কথা বলছিল।

উল্লেখ্য মে মাসে বিবৃতি দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। জানানো হয়েছিল ভারতীয় ভূখন্ডে ঢুকে এসেছে চিনা সেনা। তবে সেই বিবৃতি বৃহস্পতিবার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রতিরক্ষা নথি হিসেবে এই তথ্য রাখা হবে না বলেই জানানো হয়েছে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে। মে মাসে এই বিবৃতি প্রকাশের পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। উল্লেখ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি সরানো ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল।

তাঁদের দাবি এই প্রথম চিনা সেনার ভারত ভূখন্ডে ঢুকে পড়ার বিষয়টি অস্বীকার করল মোদী সরকার। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি কিছুটা সুর নরম করেই এই কাজ করেছে ভারত। মোদী সরকার মে মাসে চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব ছিল।

সেই আগ্রাসন (aggression) শব্দটির বদলে ব্যবহার করা হয়েছে অতিক্রম এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তব্য নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। তিনি বলেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সরকারি ভাবে বিবৃতি দিলেও, প্রধানমন্ত্রী মোদী আশ্চর্যজনক ভাবে এই বিষয়ে চুপ। ঠিক কি ঘটনা ঘটেছে, তা দেশ জানতে চাইছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা