স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে অপসারণ করা হল অশোক ভট্টাচার্যকে। তাঁর জায়গায় আনা হল তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেবকে। তাঁকে মাথায় রেখে চার সদস্যের নতুন পুরবোর্ড গঠন করেছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন: সাবধান! খোয়াতে পারেন সর্বস্ব, করোনা ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এই SMS থেকে দূরে থাকুন

শিলিগুড়ি লাগোয়া জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৮,০০০ ভোটে হেরেছেন গৌতম দেব। বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ভরাডুবি হয়েছে তাঁর। উলটো দিকে শিলিগুড়িতে তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছেন সিপিএম প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় ফিরেই অশোক ভট্টাচার্যকে অপসারণ করলেন মমতা। অশোক ভট্টাচার্যর বক্তব্য, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। গৌতম দেবও হেরে গিয়েছেন। তবে সে সব নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। আমি হেরে গিয়েছি বলে আর প্রশাসকের পদে বসতে চাই না।’’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘‘কিন্তু কলকাতায় আগে প্রশাসক ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। এ বার তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হল। তা হলে শিলিগুড়ির ক্ষেত্রে সমতা থাকবে না কেন? অর্ডার একই রকম হওয়ার কথা। আমার সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি।’’  উল্লেখ্য, গত বছর মে-তে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অশোক ভট্টাচার্যকেই পুর প্রশাসক করে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বোর্ড গড়ে সরকার।

আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত রোগীরা বাড়িতেই পেয়ে যাবেন অক্সিজেন! পরিষেবা চালু এই এলাকায়

অন্য দিকে,  গৌতম দেব বলেন, ‘‘আমি নিয়োগপত্র পেয়েছি। শুক্রবারই শিলিগুড়ি পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসব। আমার প্রথম কাজ হচ্ছে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা।’’

আরও পড়ুন: রাজ্যের কৃষকদের ১৮ হাজার টাকা দিন, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, ২০১১ ও ২০১৬ সালে রাজ্যে ব্যাপক ঘাসফুল ঝড়ের মধ্যেও শিলিগুড়ির বামদুর্গ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন অশোক ভট্টাচার্য। কিন্তু একুশের ভোটে আর সেই রেকর্ড ধরে রাখতে পারেননি অশোক ভট্টাচার্য। উলটে গুরু অশোক ভট্টাচার্যকে ধরাশায়ী করে শিলিগুড়িতে বাজিমাত করেছেন বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.