‘দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে’ এই তো আমরা জেনে এসেছি। তাই তো,অনুবাদ সাহিত্য পড়ে আমরা বারবার নিজেদের সমৃদ্ধ করেছি।ডাবিং করা বহু বিদেশী ছবি আমরা গোগ্রাসে দু চোখে ভরেছি।তাও ‘রিমেক’ শুনলেই কোথাও একটা ফোস্কা পড়ে কেন বলুন তো?

রিমেকের বিরুদ্ধে যতই কথা হোক না কেন কিন্তু নিজস্ব ভাষার নিজস্ব সংস্কৃতির যদি কোন ক্রিয়েশন এর অন্য ভাষায় রিমেক এর খবর আসে, তবে তা অন্যমাত্রার আনন্দ যোগ করে সেই সংস্কৃতির বা সেই ভাষাবাসী মানুষের মনে।আর আবারও সেই খুশির হাওয়া বাংলা টেলি দুনিয়ার অন্দর মহলে।খুব তাড়াতাড়ি অন্য ভাষায় রিমেক হতে চলেছে জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল ‘কৃষ্ণকলি’র।

ছোটপর্দার নিখিল এবং শ্যামার প্রেম, তাদের পরিবারের বাঁধন,সম্পর্কের ওঠাপড়া বাঙালির ড্রইংরুমের বহু সন্ধে জমিয়ে দিয়েছে। তাঁদের দুঃখেতে মানুষ কেঁদেছে আবার কখনও তাদের আনন্দে হেসেছে। এই কৃতিত্ব এই মেগা সিরিয়ালের গল্পের। পরিচালকের পরিচালনার। চিত্রনাট্যের বুননের। প্রকৃতি কলাকুশলীর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং অদম্য ইচ্ছার।

এই রিমেক কিন্তু হিন্দিতে হচ্ছে না।রিমেক হচ্ছে তেলুগুতে ভাষায়। গল্পের নাম দেওয়া হয় ‘কৃষ্ণ তুলসী’। শ্যামা’র ভূমিকায় অভিনয় করছেন ঐশ্বর্য এইচ। এবং ‘নিখিল’হলেন দিলীপ শেট্টি। তেলেগু ভাষার রিমেকের প্রযোজক হলেন দক্ষিণী পরিচালক রাঘবেন্দ্র রাও।

এর আগে ‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের রিমেক হয়, এখনও হিন্দিতে চলছে ‘সাথ নিভানা সাথিয়া তু’ নামে।
হিন্দি ছাড়া আরও ৭টি ভাষায় সম্প্রচারিত হচ্ছে তা। তার আগে স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘মা’এরও রিমেক হয়েছে। এছাড়া জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়ল ত্রিনয়নীর রিমেকের খবরও আমরা জেনেছি কিছুদিন আগে।কিছুদিন আগেও খড়কুটো ধারাবিক মুম্বাই পাড়ি দিয়েছে।

নতুন গল্পেও বর্ণবিদ্বেষের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে, থাকবে শ্যামা মেয়ে, থাকবে গান, এমনকি গ্রামবাসীদের জীবনও তুলে ধরা হবে গল্পে। বাংলায় টেলি জগতের এহেন জয়জয়কার বারংবার হচ্ছে। তাই এই নতুন খবর বাংলা টেলি জগতের মুকুটে নয়া পালক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.