মুম্বই: করোনা নিরাময় চিন্তিত করছে সকলস্তরের মানুষকে। দেশে মেগা-স্কেলে কোভিড-১৯ পরীক্ষা বাড়াতে বদ্ধপরিকর রিলায়েন্স। তাই এবার ভারত সরকারের সঙ্গে একসঙ্গে এই কাজে নিয়োজিত হচ্ছে মুকেশ অম্বানির সংস্থা। শুধু তাই নয় করোনা ভ্যাকসিন বাজারে এলে তা যাতে দেশের সবকোনায় সঠিকভাবে বন্টন হয় সেই কাজেও হাত বাড়াবে রিলাইয়েন্স ফাউন্ডেশন, এমনটাই স্পষ্ট করেছেন ফাউন্ডার এন্ড চেয়ারপার্সন নীতা অম্বানি।

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের ৪৩ তম বার্ষিক সাধারণ বৈঠকে একটি ভার্চুয়াল বক্তৃতায় অম্বানি-জায়া জানিয়েছেন, “করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হওয়া অনেক দূরের বিষয়। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের তরফে ভারত সরকার এবং পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা বাড়ানোর জন্য একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে”। এছাড়াও তিনি এদিন জানিয়েছেন, এই কাজে জিও-র ডিজিটাল পরিকাঠামোর সাহায্য নেওয়া হবে।

নীতা অম্বানি আরও জানিয়েছেন, “যত তাড়াতাড়ি করোনা ভ্যাকসিন উপলব্ধ হবে আমরা ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন করে ততটাই তাড়াতাড়ি তা দেশের প্রতিটি কোনায় তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছি”।

প্রথমবার কোম্পানির তরফে এমন বৈঠকে এসে রিলায়েন্স এবং ব্রিহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন যৌথভাবে দেশের প্রথম ১০০ বেড সম্পন্ন কোভিড হাসপাতাল তৈরি করেছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইতে। মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে এই কাজ শেষ করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ২০০টি বেড আছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মিশন অন্ন সেবার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক দিনমজুর, দরিদ্র ৫ কোটি মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছে ফাউন্ডেশন। এর পাশাপাশি, করোনা ভাইরাস, লকডাউনের মধ্যে পাল্টে যাওয়া জীবনে কীভাবে এগিয়ে এসেছে রিলায়েন্স সেটিও বলেন তিনি।

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নীতা অম্বানি জানান, “জিও ৪০ কোটি মানুষের হাতে পৌঁছে দিয়েছে ডিজিটাল কানেক্টিভিটি। প্রায় ৩০ হাজার সংস্থা ওয়ার্ক ফ্রম হোন করতে পারছে, পড়ুয়ারা বাড়ি থেকে ক্লাস করতে পারছে এই ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করে। রিলায়েন্স সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে জরুরী ভিত্তিতে পৌঁছে দিয়েছে জ্বালানি। কারণ, আমাদের কাছে এটি কেবল মাত্র ব্যবসা নয়, এটা আমাদের কর্তব্য, ধর্ম, দেশের সেবা”।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।