মুম্বই: ছবির নাম ঘোষণার পর থেকেই কোনও না কোনো বিতর্কে জড়িয়ে আছে ‘গাঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’। অবশ্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির সঙ্গে বিতর্ক শব্দটা সব সময় সহাবসস্থান করে। এই ছবির ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি।

গাঙ্গুবাঈ এর ছেলে রাজি শাহ, পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি, আলিয়া ভাট এবং এই ছবি যে গল্পের ওপর তৈরি সেই কাহিনীর লেখক হোসেন সাঈদীর ওপরে মামলা করে বলেছিলেন এই ছবিতে তাঁর মাকে নিয়ে যে ঘটনা দেখানো হয়েছে তা কিছুটা বিকৃত করা হয়েছে। কাহিনী বিভ্রাট জনিত ঘটনায় তাঁর নাম আগেও জড়িয়েছে।

করোনা মুক্ত হয়ে সঞ্জয়লীলা বানসালি যখনই শুটিং শুরু করার কথা জানিয়েছেন তখনই সেই শুটিং বন্ধ করার উদ্দেশ্যে স্থায়ী স্থগিতাদেশ চেয়ে পরিচালক এবং প্রযোজককে আদালতের সমন পাঠানো হয়েছিল। কারণ তাঁর ছেলের মনে হয়েছে এই ছবিতে গাঙ্গুবাই এবং তাঁদের পরিবার সম্পর্কে ভুল তথ্য পরিবেশন করে কাহিনীকে বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছে যা একেবারেই মানার অযোগ্য।

তারও আগে অর্থনৈতিক ক্ষতির মধ্যে দিয়ে গেছে এই ছবি। গত বছর এই ছবি শুরু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে জারি হয় লকডাউন। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় শুটিং। ‘গাঙ্গুবাই’-এর জন্য বানানো কোটি কোটি টাকার সেট ভেঙ্গে ফেলতে হয়েছিল।

নানা সমস্যার গতি পথ পেরিয়ে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল বড় পর্দাতেই। বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতি যা মারাত্মক আকার নিচ্ছে, তার কথা মাথায় রেখেই ওয়েব প্ল্যাটফর্মেই এই ছবির মুক্তির কথা ভাবছেন পরিচালক। ৩০ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সূত্রের খবর অনুযায়ী শুধুমাত্র বিরাট অংকের টাকার প্রস্তাব পেয়ে নয়,বরং দেশ জুড়ে কোভিড পরিস্থিতি যে আকার নিচ্ছে তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন পরিচালক।

তবে শুধু এই ছবি নয়, পরিস্থিতি যা ভয়াবহ আকার নিয়েছে, যদি এখনই সামলানো না হয় তবে,রোহিত শেট্টির ‘সূর্যবংশী’ ছবির মুক্তি থেকে শুরু করে সলমন খানের ‘ রাধে :ইওর মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই ‘-এর মুক্তি আটকে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.