ফাইল ছবি

মুম্বই: স্বাস্থ্যবিধি অগ্রাহ্য করার পরিণাম। করোনায় মৃতের ব্যাগ খুলে সৎকার। মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন আরও ১৮ জন। মহারাষ্ট্রের উল্লাসনগরে করোনায় মৃতের পরিবারের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মহারাষ্ট্রের উল্লাসনগরে এক মহিলা করোনার উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। মহিলার লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

২৫ মে হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। মহিলার মৃত্যুর পর তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুযায়ী মৃতদেহটি একটি প্লাসটিক ব্যাগে মুড়ে পরিবারের হাতে তুলে দেয়।

মৃতদেহ পরিবারের হাতে দেওয়ার সময় ওই ব্যাগ খুলতে নিষেধ করা হয় পরিবারের সদস্যদের। ব্যাগ-সহ যাতে মৃতের সৎকার করা হয় সেব্যাপারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় মৃতের পরিবারের সদস্যদের। তবে মৃতদেহ নিয়ে ফিরে নিজেদের মতেই সৎকার করা হয় ওই মহিলার।

সৎকারের আগে ব্যাগ খুলে দেহ বের করে রীতি-নিয়ম পালন করা হয় পরিবারের তরফে। সৎকারের সময় ৭০-৮০ জন সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে তাঁদের করোনা পরীক্ষা করানো হলে ১৮ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মহারাষ্ট্র স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে ওই ঘটনার জেরে এখনও পর্যন্ত ৫০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তাঁদের উপরও নজর রাখছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

অন্যদিকে, করোনায় মৃতের ব্যাগ খুলে সৎকার করায় ওই পরিবারটির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.