নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে গোটা দেশের শিক্ষা-ব্যবস্থা বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। কলেজে চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের পরীক্ষা কবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও জটিলতা জারি। এবার পড়ুয়াদের স্বার্থেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসল দেশের শীর্ষ আদালত। ইউজিসিকে বিষয়টি নিয়ে ১৪ অগাস্টের মধ্যে স্পষ্ট জবাব দিতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের।

করোনার জেরে কলেজের চূড়ান্ত বর্ষের পড়ুয়াদের পরীক্ষা নিয়ে জটিলতা জারি। পড়ুয়াদের স্বার্থেই আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিকে টার্মিনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ পাঠায় ইউজিসি। তবে ইউজিসির সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয় একাধিক রাজ্য।

ইউজিসির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্যের সরকার। শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতে আদালতে ক্ষোভপ্রকাশ সলিসিটর জেনারেলের।

ইউজিসি-র নিয়ম এভাবে কোনও রাজ্য অস্বীকার করতে পারে না বলে দাবি তাঁর। একইসঙ্গে আদালতে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল জানান, এভাবে পরীক্ষা বাতিল হলে আদতে ক্ষতি হবে পড়ুয়াদেরই।

আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে ফের এই মামলার শুনানি। তবে ইউজিসির বক্তব্য শুনতে চায় আদালত। ১৪ অগাস্টের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে এব্য়াপারে স্পষ্ট জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

করোনা পরিস্থিতির জেরে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া কখনই সম্ভব নয় বলে মনে করে একাধিক রাজ্য। ইউজিসির এই সিদ্ধান্ত নিয়ে গেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পড়ুয়াদের বিপদের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত বদলের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী পড়ুয়াদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কলেজ পড়ুয়াদের পরীক্ষায় আপত্তি মহারাষ্ট্র সরকারেরও। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে গিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বিপদের মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এই আবহে পরীক্ষা দিতে গিয়ে পড়ুয়ারাও করোনা সংক্রমিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা