নয়াদিল্লি: শরীরে নুনের আধিক্য স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে নুন। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের সতর্কতার সঙ্গে নুন ব্যবহার করা উচিত। তবে শুধু হাই ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপ না, নুন কিডনির নানান রোগেরও কারণ হতে পারে। কিছু গবেষণার মতে নুন প্রতিরোধ ক্ষমতাও নষ্ট করে দেয়।

আপনি যদি খাবারে বেশি পরিমাণে নুন ব্যবহার করেন বা বেশি নোনতা খাবার খান তবে সাবধান হোন। ভারতের ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি (এফএসএসএআই) খাবারে নুনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের কয়েকটি সেরা উপায়ের রূপরেখা দিয়েছে। উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগ এড়াতে এগুলি খুব কার্যকর হতে পারে।

বলা হচ্ছে, খাবারে বেশি পরিমাণে নুন ব্যবহার করার পরিবর্তে মরসুমে উপলভ্য অন্যান্য বিকল্পগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন নুনের বদলে লেবু পাউডার, আমের গুঁড়ো, লঙ্কা, আচার ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতে পারে।

এফএসএসএআই টুইটে জানিয়েছেন, রান্নার মাঝখানে নুন দেওয়ার পরিবর্তে একেবারে শেষে নুন দিন। এইভাবে আপনি রান্না প্রক্রিয়ায় কম নুন ব্যবহার করা যাবে।

প্রায়শই লোকেরা রাতে খাবারের সময় পাঁপড়, আচার, সস, চাটনি বা নমকিন খাবার খান এই জিনিসগুলিতে প্রচুর পরিমাণে নুন থাকে। এগুলি খাবারে টেস্ট তো বাড়ায়, কিন্তু রক্তচাপের জন্য বিপজ্জনক। সুতরাং এগুলি অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন।

কিছু লোক অযৌক্তিকভাবে সমস্ত খাবারেই নুন দেন। ভাত, ধোসা, রুটি, পুরি, নান, স্যালাড এ৪গুলিতে নুন না দিয়েও খাওয়া যায়। এই জিনিসগুলিতে নুন যুক্ত করলে খাবারগুলির সাধারণ স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I