বিধাননগর: নিউটাউনবাসীর জন্য সুখবর৷ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে কমিউনিটি রেডিও সেন্টার‘রেডিও নিউটাউন’৷ এছাড়াও ফেসবুকে সংশ্লিষ্ট নামে একটি বিশেষ পেজ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে সম্প্রচারিত হবে স্থানীয় বিভিন্ন খবর৷

জানা গিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনলাইনে এই রেডিওর যাবতীয় অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯ টা, এই দুই ঘন্টায় নিউটাউনের সব খবর প্রত্যেকের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে৷

শুধু খবর নয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন বাসিন্দারা৷ এছাড়া এছাড়াও ফেসবুকে সংশ্লিষ্ট নামে একটি বিশেষ পেজ তৈরি করা হয়েছে। সেই পেজ থেকেও অনুষ্ঠান এবং স্থানীয় বিভিন্ন খবর সম্প্রচারিত হবে৷ রেডিওর জন্য একটি লোগোও তৈরি করা হয়েছে৷

কিভাবে শোনতে পাবেন এই রেডিও– অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্লে স্টোরে গিয়ে ‘রেডিও নিউটাউন’ অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। সেখান থেকেই অনুষ্ঠান শুনতে পাবেন বাসিন্দারা৷ এর আগে করোনা–সঙ্কট মোকাবিলায় নিউ টাউনের মানুষ, বিশেষ করে প্রবীণ এবং আটকে পড়া শ্রমিকদের সহায়তার জন্য তৈরি হয়েছিল ‘‌নেবারহুড নেটওয়ার্কিং’‌।

মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী জোগাড় করা থেকে শুরু করে মাস্ক তৈরি, প্রবীণদের ওষুধ পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি সাহায্যের আবেদন করা হয়েছিল৷

তারপরই ‘রেডিও নিউটাউন’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ নিউ টাউন, জ্যোতি বসু নগর পূর্ব কলকাতা জলাভূমি ও কেষ্টপুর খালের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। শহরটি মাঝ বরাবর বাগজোলা খাল উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্বে পবাহিত হয়।

নিউ টাউন, জ্যোতি বসু নগর শহরটি জলাভূমি ভরাট করে তৈরি ভূমির উপরে অবস্থিত। শহরটি ২২.৬৩১ উত্তর ও ৮৮.৪৫৪ পূর্বে এবং সমুদ্র সমতল থেকে ৯ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

গঙ্গা নদীর পলিমাটি দ্বারা শহরটির ভূমিভাগ নির্মিত এবং শহরের অভ্যান্তরে ও সীমান্ত বেশ কিছু ছোট-বড় হ্রদ রয়েছে। এই হ্রদগুলি মূলত শহর ভূমি উদ্ধারের সময়ে জলাভূমির ভরাট না করা অংশ।

নিউ টাউন ইকো পার্কে অবস্থিত হ্রদটি নিউ টাউনের সবচেয়ে বড় হ্রদ এবং এই হ্রদটির আয়তন ০.৪২ কিলোমিটার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।