নয়াদিল্লি: আপাতত নীল ছবি বন্ধ হচ্ছে না রেডডিটে। একথা সাফ জানিয়ে দিলেন সংস্থার সিইও স্টিভ হাফম্যান। কেন এই নীল ছবি বন্ধ করা হচ্ছে না সে বিষয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন হাফম্যান। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এর মানে কোনওভাবেই এই নয় যে, এই সংস্থা অনৈচ্ছিক বা জোরপূর্বক অশ্লীলতাকে সমর্থন করে।

একটি ইন্টারভিউতে হাফম্যান জানিয়েছেন, “যৌনতা ইউনিভার্সাল। অন্য অনেক বিষয়ের মতো যৌনতাও এমন একটা বিষয় যা বেশিরভাগ সময় অনলাইন বা অফলাইনে খুব একটা আলোচনা হয় না। মানুষ যে রেডডিটে নিজেদের গল্প, ছবি, নানান মুহূর্ত শেয়ার করে নিচ্ছেন সেটাকে তিনি পুরোপুরি সমর্থন করেন বলেও জানিয়েছেন হাফম্যান।

অন্যদিকে অনৈচ্ছিক অশ্লীলতা, নানান শোষণমূলক যৌন কন্টেন্ট ও নাবালিকাদের অশ্লীল নানান ভিডিও বা ছবি অথবা কোনও প্রকার কন্টেন্ট রেডডিটে গৃহীত হয় না। তিনি জানিয়েছেন, “আমরা চাই মানুষ সুরক্ষিত থাক, রেডডিটে আমাদের কিছু নিয়ম আছে। কোনও অনৈতিক অনৈচ্ছিক যৌন কন্টেন্ট থাকে না। যদি কেউ এধরনের কিছু পোস্ট করে তবে তার বিরুদ্ধে হওয়া রিপোর্টকে আমরা খুব গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করি।”

কোন ধরনের যৌনতা অনৈচ্ছিক তা নিয়েও নিজের মত রেখেছেন হাফম্যান।তিনি জানিয়েছেন যখন কোনও কনটেন্ট সেই কনটেন্টে উপস্থিত ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে বা গোপনে করা হচ্ছে, তা রেডডিটে গ্রহণযোগ্য না।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ভারতে সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য গাইডলাইন সামনে আনে কেন্দ্র। জানানো হয়, সকল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে ভারতে ব্যবসা করতে স্বাগত। সরকার আলোচনার জন্য তৈরি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াকে ভুল ভাবে ব্যবহার করার বিষয়ে ফোরাম থাকা দরকার। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে তা ৩ মাসের মধ্যে চালু করা হবে।

একই সঙ্গে ইউজার ভেরিফিকেশনও জরুরি বলে জানানো হয়েছে। রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা বিষয় নিয়ে গাইডলাইন তৈরি করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট।সেই নির্দেশের ওপর ভিত্তি করে ভারত সরকার এ সম্পর্কে গাইডলাইন তৈরি করেছে। রবিশঙ্কর প্রসাদ জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির ব্যবহারকারীদের যাচাই করা উচিত, এখনই সরকার এতে হস্তক্ষেপ করবে না, তবে প্ল্যাটফর্মগুলির এবিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.