ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগছে তো? ইতালির বাসিন্দারাও এই ব্যাপারটি নিজেরা অবিশ্বাস করতে পারেননি। তারপর স্বচক্ষে এটি দেখার পরে তাদের মনে উৎসবের রেশ। এই মুহূর্তে আমরা সকলেই লকডাউনের মধ্যে বন্দী জীবন কাটাচ্ছি। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে যারা মাঠে-ঘাটে খেটে কাজ করেন তাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। কিন্তু তাদের মতই শোচনীয় অবস্থা সুরা প্রেমীদেরও।

মদের দোকান বন্ধ থাকায় তাদের রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠেছে। কিন্তু এই অবস্থায় যদি আপনার জলের কল থেকে ঝরে পড়ে রেড ওয়াইন (red wine) তাহলে কী করবেন? বিশ্বাস না হলেও এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে ইতালির (italy) একটি গ্রামে।

গ্রামটি মডেনা এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত। গ্রামটির কয়েকটি নির্দিষ্ট বাড়িতেই হঠাৎ করে জলের কল খুললেই সেখান থেকে জল পড়ার বদলে হুড়মুড়িয়ে ঝরে পড়ছিল রেড ওয়াইন (red wine)। এই ঘটনা খবর চাউর হতেই নানা জায়গা থেকে লোকেরা ভিড় করে সেই বাড়িগুলোতে। এরপরই মানুষের ভীড় জমতে থাকে বোতল নিয়ে রেড ওয়াইন ভরার জন্য। কিন্তু এমন চিত্র ৩ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়নি কারণ তার পরেই জল থেকে আর রেড ওয়াইন (red wine) ঝরে পড়ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই জল ঝরে পড়তে শুরু করে।

এসবের মাঝেই প্রশ্ন উঠল হঠাৎ করে এমনটা কী করে সম্ভব? জানা গেছে স্থানীয় একটি মদ তৈরির কারখানায় (liquor shop) রেড ওয়াইনের রিজার্ভার ভেঙে যায়। এরপর নাকি কোন ভাবে তা গ্রামের জল সরবরাহ করার পাইপের মধ্যে মিশে গিয়ে বাড়িতে বাড়িতে জলের কলের মাধ্যমে ঝরে পড়তে থাকে। জানা গেছে যে এরকম ২০ টি বাড়ির জলের কলে পাওয়া গিয়েছে রেড ওয়াইন।

গোটা গ্রামে যখন এই নিয়ে মাতামাতি তুঙ্গে তখন সেই ওয়াইন তৈরির কারখানার (liquor shop) মালিকদের কাছে সেই খবর পৌঁছে দিয়েছে। ফলে তারা ইঞ্জিনিয়ার ডেকে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে রিজার্ভার মেরামতি করে দেয়। এরপরই আবার জলের কল নাকি স্বাভাবিক হয়ে যায়। মন খারাপ হয়ে যায় সুরা প্রেমীদেরও। তবে গ্রামবাসীরা আশা করেছিলেন এমন চিত্র দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.