হাওড়া: ব্যাক ইন অ্যাকশন- রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজে ফিরে যাও। এমনই আহ্বান রাজ্যে উঠতি বাম যুব নেত্রী দিপ্সীতা ধরেন। ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে পরপর মৃত্যুর সংবাদ আসছে। এই অবস্থায় দিপ্সীতার আহ্বান সাড়া ফেলেছে।
ইতিমধ্যেই দলীয় নেতাদের চূডান্ত সমালোচনা করেছেন সিপিআইএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিআইএমের তাবড় নেতার দাবি, এই ডিজাস্টারের দায় নিতে হবে নেতাদের।  এই নিয়ে বিতর্ক প্রবল।
হাওড়ার বালি বিধানসভা কেন্দ্রের সংযুক্ত মোর্চার সিপিআইএম প্রার্থী দিপ্সীতা ধর সাড়া ফেলেছিলেন প্রচারে। রাজ্য জুড়ে বাম শিবিরে ‘ডিজাস্টার’ আসায় তিনিও পরাজিত হন। প্রশ্ন উঠেছে বঙ্গ রাজনীতিতে বামেদের ভবিষ্যত নিয়ে। দলটি ১৯৭৭ থেকে ২০১১ টানা  ৩৪ বছর সরকার চালিয়ে সদ্য বিধানসভা ভোটে একদম শূন্য হয়েছে। যদিও বঙ্গে শূন্য সিপিআইএম, তবে তাদেরই দখলে টানা দ্বিতীয়বারের জন্য কেরল।
বাম নেত্রী দিপ্সীতা বার্তা দিয়েছেন করোনাভাইরা মোকাবিলা নিয়ে দলের রেড ভলান্টিয়ার্সদের। সংগঠনটি করোনা রোগীদের অক্সিজেন, ওষুধ, খাবার ও বহু সাহায্য চালিয়ে তুমুল চর্চিত। ফলাফল ঘোষণার পর দিপ্সীতা লিখেছেন,  “অনেকে মনে মনে, অনেকে প্রকাশ্যে ভেবেছিলেন Red Volunteer দের কাজ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। অভিমানে, রাগে। Red Volunteer কিন্তু নির্বাচন কে সামনে রেখে তৈরি হয়নি, covid পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি হয়েছিল। তাই ভোটে হারলে, এসব বন্ধ করার প্রশ্ন ওঠেনা।”
ফেসবুকে এই বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি রেড ভলান্টিয়ার্সদের কাজের ছবি দিয়েছেন দিপ্সীতা। তিনি লিখেছেন, “ছবিতে যাদের দেখছেন এরা আমার counting agents, কাল ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা অবধি অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গেছে, তবু আজ সকাল থেকেই, ব্যক ইন আ্যকশন।”
এদিকে ফল ঘোষণার পরেই রাজ্য জুডে ছড়িয়েছে হিংসাত্মক পরিবেশ। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিরোধীদের উপর হামলার অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। যদিও টিএমসি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফল ঘোষণার পর রাজনৈতিক হামলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা সর্বাধিক  পূর্ব বর্ধমান জেলায়। এই জেলার জামালপুরে মৃত ৪ জন।  অভিযোগ, টিএমসির হামলায় মৃত্যু হয়েছে বাম মহিলা সমর্থকের।  অভিযোগ অস্বীকার করেছে টিএমসি।  সংঘর্ষে টিএমসি ও বিজেপির দাবি তাদের মোট সমর্থক তিনজন মৃত। একাধিক জেলায় সংঘর্ষ ছড়াচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.