ফাইল ছবি

নয়াদিল্লিঃ   ভারতের তিরঙা পতাকা নাকি পাকিস্তানের! এমনকি, লালকেল্লাকে লাহৌরের শালিমার গার্ডেন হিসেবে দেখানো হল পাকিস্তান ট্যাবলোতে। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কে আয়োজকরা।

এসসিও-তে ভারত ও পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্তি উপলক্ষ্যে বেজিং-এর সংগঠনের সদর দফতরে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই অনুষ্ঠানে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়াই, চিনে নিযুক্ত ভারতীয় দূত বিজয় গোখেল এবং পাক দূত মাসুদ খালিদ সহ এসসিও-র অন্য সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আর সেখানে সবার সামনে ঘটে যায় মারাত্মক ঘটনা।

বিষয়টি প্রথমে কারোর নজরে আসেনি। জাতীয় পতাকা সহ লালকেল্লাকে লাহৌরের শালিমার গার্ডেন হিসেবে দেখানোর ঘটনাটি চোখে পড়ে ভারত ও পাক কূটনীতিবিদদের । এই বিভ্রাটের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন এসসিও-র আধিকারিকরা। তাঁরা বলেছেন, ট্যাবলোগুলিতে ব্যবহৃত ছবি খতিয়ে দেখার কাজ সঠিকভাবে হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.